মেইন ম্যেনু

চুল পাকলে কী করবেন জেনে নিন

বয়সকালে চুল পাকে। বয়স বাড়ার একটা প্রাথমিক লক্ষণ চুল পাকা। তবে সব সময় যে বয়স হলেই চুল পাকবে, তা কিন্তু নয়। অনেকের অল্পবয়সেই চুলে পাক ধরে। ফলে অকালপক্কতা নবীনকেও প্রবীণ করে তোলে। অকালপক্কতার একাধিক কারণ রয়েছে, যেমন, মানসিক চাপ, জিনগত কারণ, ধূমপান, পরিবেশ দূষণ ও অপুষ্টি। চুলের স্বাভাবিক কালো রং বজায় রাখে মেলানিন। মেলানিনের অভাবেও চুল সাদা হয়ে যেতে পারে। একবার চুল পাকতে শুরু করলে, তা ঠেকানো মুশকিল। তবে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে অকালপক্কতার হাত থেকে রেহাই মিলতে পারে।

১। পুষ্টিকর খাদ্য চুলের স্বাভাবিক কালো রং ধরে রাখতে পুষ্টিকর আহার জরুরি। শরীরে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা দিলে চুল পাকতে শুরু করে। ভিটামিন ও খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ খাদ্য খেতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন, গমের আটা থেকে তৈরি খাবার, দই, সবুজ শাকসবজি। অকালপক্কতার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত মানসিক চাপ। ঘরে, বাইরে অতিরিক্ত টেনশন বাড়লে অকালে চুল পেকে যেতে পারে। বেশি চিন্তাভাবনা করলেও চুল সাদা হয়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন সময় ধরে যোগব্যায়াম করুন। মাথা ঠান্ডা রাখুন। মনকে শান্ত রাখার সবচেয়ে উপকারী দাওয়াই মেডিটেশন। নিয়মিত ১০ মিনিট ধ্যান করুন। মাথার একটিও চুল পাকবে না।

২। নিয়মিত শারীরিক কসরত নিয়মিত শারীরিক কসরত করলে সুস্থ শরীর লাভ করা যায়। পাশাপাশি অকালপক্কতার হাত থেকেও মুক্তি মেলে। শারীরিক কসরতের কারণে মাথার স্কাল্পে রক্ত চলাচল স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে শুরু করে। চুলের বৃদ্ধি ঠিকমতো হয়। চুল পড়া, চুল পাকা থেমে যায়। তাই চুলের স্বার্থে প্রতিদিন শারীরিক কসরত প্রয়োজন।

৩। সঠিক পরিচর্যা অকালপক্কতা রুখতে চুলের সঠিক পরিচর্যা একান্ত জরুরি। চুলের যত্ন না নিলে চুল ঝরবে তো বটেই, সাদাও হয়ে যাবে। তাই চুলের সঠিক দেখভালের জন্য প্রতিদিন মাথায় তেল লাগানো উচিত।

৪। জল পান এসবের সঙ্গে প্রয়োজন পর্যাপ্ত জল পান। সঠিক পরিমাণে জল খেলে শরীরে টক্সিনের মাত্রা ঠিক থাকে। সুস্থ শরীর লাভ করা যায়। এগুলি মেনে চললে অকালপক্কতার হাত থেকেও নিস্তার মেলে।