মেইন ম্যেনু

চূড়ান্ত লজ্জাজনক! ১৩ বছরের মেয়েকে ‘বিক্রি করে’ সেই টাকা দিয়ে করলো দ্বিতীয় বিয়ে

শিরোনাম দেখে অবাক লাগলেও সত্যি। পাকিস্তানের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে সম্প্রতি এমন ঘটনাই ঘটেছে। ওয়াজির আহমেদ নামে এক ব্যক্তি নিজের মেয়ের বিনিময়ে ঘরে এনেছেন দ্বিতীয় স্ত্রী। বন্ধু রমজানের হাতে নিজের ১৩ বছরের কিশোরী কন্যাকে তুলে দিয়ে বন্ধুর বোন সাইমাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেছেন ওয়াজির।

জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের এই বিশেষ অঞ্চলে এটি খুবই প্রচলিত একটি প্রথা। উর্দুতে একে বলা হয় ‘ওয়াত্তা সাত্তা।’ অর্থাৎ দেওয়া-নেওয়া। মূলত প্রাচীন সভ্যতা এই প্রথায় বিশ্বাস করত, যার প্রচলন সভ্য পৃথিবীতে আর নেই বললেই চলে। কিন্তু পাকিস্তানের এই জায়গায় এখনও রমরমিয়ে চলছে এই প্রথা। এক পরিবারের মেয়েকে অন্য পরিবারে তুলে দেওয়া হয় প্রথা মেনে। বিনিময়ে অন্য পরিবারের মেয়েকে আনা হয় নিজের পরিবারে। বিশেষ করে পরিবারে যদি পুত্র সন্তান না জন্মায়, তখনই এই প্রথায় চলে যান পরিবারের সদস্যরা। নতুন যাঁকে আনা হয় পরিবারে, পুত্র সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয় তাঁর উপর।

বলা বাহুল্য, এই প্রথা থেকেই আন্দাজ পাওয়া যাচ্ছে সেখানকার সমাজে নারীর স্থান ঠিক কোন জায়গায়। এমন ঘৃণ্য প্রথার থেকে কবে মুক্তি পাবেন ওয়াজিররা, তা অবশ্য সময়ই বলবে।