মেইন ম্যেনু

ছাত্রলীগ আছে বলেই দেশ আজ সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ মুক্ত

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ গণমাধ্যমের সমালোচনা করে বলেছেন, ‘আজ অনেকেই আছেন আমাদের সমালোচনা করেন। করতেই পারেন। কিন্তু ছাত্রলীগের ইতিহাস গৌরবের ইতিহাস। আমাদের ঐতিহ্যের দিকেও দেখতে হবে। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করার জন্য ছাত্রলীগই কাজ করেছে। বিএনপি-জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীদের যে চক্রান্ত তা আমরাই রুখে দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন বিএনপি-জামায়াত জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আগুন দিয়েছে। সেই দিন ছাত্রলীগই মাঠে ছিল। আর ছাত্রলীগ আছে বলেই বাংলাদেশ সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ মুক্ত হয়েছে।’

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ক্ষমতাশীন দল আওয়ামীলী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৮তম কেন্দ্রীয় সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে সোহাগ এ কথা বলেন।

সোহাগ বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানীদের থেকে স্বাধীনাতা ছিনিয়ে এনেছি। ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করার পর কিভাবে ছাত্রলীগের ওপর নির্যাতন করা হয়েছে তা সবাই দেখেছে। সেদিন সেই স্বৈরাচার সরকারের রক্তচক্ষুকে ভয় না করে আমরা সংগ্রাম চালিয়ে গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে পেরেছি। সেই ইতিহাস আমাদের ঐতিহাসিক ইতিহাস।’

ছাত্রলীগের নিহত নেতাকর্মীদের অবদান স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ-হেফাজতকে প্রতিহত করতে গিয়েই তারা শহীদ হয়েছেন। এই শহীদদের অবদান কিভাবে অস্বীকার করেবেন? ছাত্রলীগের গৌরব শুধু অতীত গৌরব নয়, বর্তমানেরও গৌরব।’

প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প প্রসঙ্গে সোহাগ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা কারাগারে থেকেই রূপকল্পের স্বপ্ন দেখেছেন। আমরা এখন ২০৪১ সালের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। আজ প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প স্বপ্ন নয় বাস্তবতা।’

এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমসহ মন্ত্রিপরিষদের বেশ কয়েকজন সদস্য ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা।