মেইন ম্যেনু

ছাত্রীকে ক্লাসে মদ খাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা

এক ছাত্রীকে জোর করে মদ খাওয়ানোর চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকালে উত্তেজনা ছড়াল হুগলির চুঁচুড়ার এক নামী মেয়েদের স্কুলে ।অভিযোগ, বৃহস্পতিবার টিফিনের সময় ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে জোর করে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের কয়েকজন ছাত্রী।

এক ছাত্রীকে জোর করে মদ খাওয়ানোর চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকালে উত্তেজনা ছড়াল হুগলির চুঁচুড়ার এক নামী মেয়েদের স্কুলে ।

অভিযোগ, বৃহস্পতিবার টিফিনের সময় ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে জোর করে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের কয়েকজন ছাত্রী। কোনওরকমে তাদের হাত ছাড়িয়ে পালিয়ে নিজের ক্লাসে চলে যায় ওই ছাত্রী। তবে তখনই সে ঘটনাটি শিক্ষিকাদের না জানালেও বাড়ি ফিরে অভিভাবকদের জানায়। ওই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এদিন সকালে বিদ্যালয়ের সামনে জড়ো হন বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা, যাঁদের অধিকাংশই ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের অভিভাবক।

বৃহস্পতিবারের ঘটনার প্রতিবাদ জানান তাঁরা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা শুধু তাঁদের নিজেদের ক্লাসের খবরই রাখেন না। পাশের ক্লাসে কী হচ্ছে, সে খবরও রাখেন। অভিভাবকেরা একটি অভিযোগ করেছেন। ‘স্টাফ কাউন্সিলের’ সভা ডাকা হচ্ছে। অভিভাবকদের অভিযোগটির তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে দোষীরা শাস্তি পাবে।

যে ছাত্রীকে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ, সেই ছাত্রীটির বাবা এদিন বলেন, ‘‘বৃহস্পতিবার তখন টিফিনের সময় চলছিল। ওই সময় আমার মেয়েকে একটি বোতলের ছিপি করে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করে উঁচু ক্লাসের কয়েকজন ছাত্রী। আমার মেয়ে বলেছে, ওই ছিপি থেকে তীব্র ঝাঁঝাল একটা গন্ধ বেরোচ্ছিল।

যে ছাত্রীরা ওকে জোর করে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করছিল, তাদের সকলেরই পরনে চুড়িদার ছিল। তাই তারা একাদশ বা দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী বলেই আমার মনে হচ্ছে। কিন্তু মুখ ঢাকা থাকায় তাদের চিনতে পারেনি আমার মেয়ে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘ওই ঘটনায় আমার মেয়ে এতটাই ভয় পেয়ে গিয়েছিল যে, তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হয়েছিল। চিকিৎসকেরা ওকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।’’ চুঁচুড়া ঘড়ির মোড় এলাকার বাসিন্দা ওই ছাত্রীর বাবার অভিযোগ, ‘‘ওই বিদ্যালয়ের নিচু ক্লাসের আরও কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গে র‌্যাগিং করেছে উঁচু ক্লাসের ছাত্রীদের কয়েকজন।

তবে তারা কেউ ভয়ে মুখ খোলেনি। আমরা এদিন সকালে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ জানাই। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।’’ যে স্কুলটি নিয়ে বিতর্ক সেটি জেলার শিক্ষা মানচিত্রে বেশ উজ্জ্বল। জেলার প্রথম সারির একটি স্কুলে এমন একটি ঘটনার অভিযোগ ওঠায় বিস্মিত স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে।