মেইন ম্যেনু

ছাদ-কৃষি উপকরণের খামার গড়েছেন শিক্ষিত যুবক

ছাদ-কৃষি সহায়ক উপকরণ তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন চুয়াডাঙ্গার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আলিমুজ্জামান মিল্টন। নিজের গড়ে তোলা কৃষি খামারে তিনি সমাবেশ ঘটিয়েছেন নতুন নতুন প্রযুক্তি ও কৌশলের।

লেখাপড়া শেষ করে অন্যকোনো পেশায় যাননি আলিমুজ্জামান। নিজেকে যুক্ত করেছেন কৃষির বহুবিধ কর্মযজ্ঞের সঙ্গে। পরীক্ষা নিরীক্ষা করছেন ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে নাগরিক কৃষির নানা দিক নিয়ে। গড়ে তুলেছেন ছাদ-কৃষির দরকারি অবকাঠামো।

তার এ উদ্যোগ নিয়ে আলিমুজ্জামান মিল্টন বলেন: পিভিসি পাইপ ব্যবহার করে পুদিনা পাতা বা ল্যাটুস এই ধরণের সবজি উৎপাদন করেছি। বেগুন কিংবা মরিচ সব ধরণের সবজি এখান থেকে উৎপাদন করা সম্ভব। সাত থেকে আট জনের পরিবারের সবজির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব যেকোনো ধরণের মৌসুমী সবজি উৎপাদন করে।

এখানে পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে মাটিবিহীন কৃষির নানা দিক নিয়েও। মাটির সঙ্গে কোকো পিট বা নারিকেলের উচ্ছিষ্ট অংশ মিশিয়ে ব্যবহার করছেন তিনি।

খামারের ভেতরেই রয়েছে বাউল লাউ উৎপাদনের একটি ছাউনি।

এ প্রসঙ্গে মিল্টন বলেন, আশে-পাশে যারা লাউ চাষে আগ্রহী তারা এসে এখান থেকে বীজ নিয়ে যায়। এ জাতে লাউয়ের সুবিধা হচ্ছে- উচ্চ ফলনশীল এবং বারো মাস এখান থেকে ফল আসে।

এই তরুণ উদ্যোক্তা নিজের খামারটি গড়ে তুলেছেন কৃষি ও কৃষককে বাণিজ্যিক সহায়তা দেবার ক্ষেত্র হিসেবে।