মেইন ম্যেনু

ছিটমহলে জনগণনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য বিনিময়

বাংলাদেশ ও ভারতের ছিটমহলে জনগণনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য বিনিময় করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে সোমবার উভয় দেশের মধ্যে ডিসি-ডিএম পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে।

ভারতের কুচবিহার জেলার চেংরাবান্ধা ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসে সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ৫ ঘণ্টাব্যাপী এ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়।

বৈঠকে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলে ছিলেন পরিসংখ্যান ব্যুরোর সিস্টেম এনালিস্ট যতন কুমার সাহা, সিনিয়র প্রোগ্রামার মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রোগামার আহসান হাবীব এবং পরিসংখ্যান ব্যুরোর কুড়িগ্রাম জেলার উপ-পরিচালক তহিদুল ইসলাম। ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন কুচবিহার জেলার ভারপ্রাপ্ত ডিএম চিরঞ্জীব ঘোষ।

জানা গেছে, লালমনিরহাট থেকে ১৯৫ জন, পঞ্চগড় থেকে ৪০৬ জন ও কুড়িগ্রাম থেকে ৩৭৮ জন ভারতে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে ১৬৩ জন মুসলমান রয়েছেন।

বৈঠক শেষে দেশে ফিরে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের প্রধান লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘ভারতের কুচবিহার জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত বাংলাদেশি ৫১ ছিটমহলে জনগণনায় প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার নাগরিককে পাওয়া গেছে। এদের কেউই বাংলাদেশি নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদনপত্র ফরম পূরণ করেননি। এতে বোঝা যাচ্ছে কেউ বাংলাদেশে আসতে চাচ্ছেন না। তবে নীলফামারী জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত ভারতীয় চারটি ছিটমহল ব্যতীত লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড় জেলার অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ১০৭টি ছিটমহলের মধ্যে মোট ৯৭৯ জন নাগরিক ভারতে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে আবেদন ফরম পূরণ করেছে। এসবের মধ্যে হিন্দু ৮১৬ জন ও মুসলিম ১৬৩ জন। এসব তথ্যের হার্ড কপি গত ১৬ জুলাই হস্তান্তর হলেও ২০ জুলাইয়ের ওই বৈঠকে সফট কপি সরবরাহ করা হয়েছে। কিছু নামের বানান ভুল রয়েছে। এ ছাড়া ২০১১ সালের যৌথ হেড কাউন্টিংয়ে পর কেউ কেউ ছিটমহলের বাইরে চলে যাওয়ায় কিছু তথ্যের গড়মিল দেখা দিয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৩ জুলাই ঢাকায় জয়েন্ট বাউন্ডারি ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে বসার আগেই এসব সংশোধন করার প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া ভারতে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের অস্থাবর সম্পত্তি পরিবহণ ও ট্রাভেল পাস ইস্যুর বিষয়টিও আলোচনা হয়েছে।’



« (পূর্বের সংবাদ)