মেইন ম্যেনু

ছেলেকে রোনালদো শেখালেন আমি নয়, মেসি সেরা!

তিনি রোনালদো। তিনি যখনই মুখ খুলেছেন কোনো না কোনো বিস্ফোরণ ঘটেছে ফুটবল বিশ্বে। যিনি স্পষ্ট কথা বলতে কোনো দিন দ্বিধাবোধ করেন না।

মেসি থেকে ব্যালন ডি’অর রোনালদো,আবার রোনালদো থেকে মেসি ডি’অর নিজেদের সেরাটা দিয়ে ছিনিয়ে নেয়। এভাবে চলছে দুই তারকার যুদ্ধ। তবে এবার নিজ পুত্রকে রোনালদো শিখালো তিনি নয়, মেসি সেরা! যদিও গত বছর ব্যালন ডি’অর, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ প্রায় সব পুরস্কারই নিজের করে নিয়েছেন রোনালদো।

তবে ৫১ গোল করে ইউরোপের সর্বোচ্চ গোলদাতা কিন্তু মেসি। বতর্মান ফুটবলবিশ্বে আলোচনার সবচেয়ে জনপ্রিয় বিষয় হলো মেসি-রোনালদোর মধ্যে কে সেরা? বার্সা ও আর্জেন্টাইন সমর্থকদের মতে, মেসি কেবল এ সময়ের নয়, এই গ্রহেরই সেরা ফুটবলার।

আর রোনালদো ভক্তদের দাবি, পরিসংখ্যান বিচারে মেসির চেয়ে অনেক এগিয়ে রিয়াল সুপারস্টার। আলোচনা থামার কোনো নাম নেই, কারণ দলিলপত্র আর কীর্তিতে কেউ কারো চেয়ে পিছিয়ে নন।

তবে নতুন বছরের শুরুতে আবার আলোচনায় মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ। তবে ফুটবলীয় বিচারে নয়, লড়াইটা ফিরে এলো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সন্তান প্রসঙ্গে।

পর্তুগিজ সুপারস্টারের দাবি, তাঁর সন্তানকে বোঝানো হয় যে রোনালদোর চেয়েও সেরা ফুটবলার একজন আছে। আর সেই একজন যে মেসি, সেটা তো না বললেও চলে। তবে রোনালদো জানান, জুনিয়র রোনালদো বেশ ভালোভাবেই এসব বিষয় মোকাবিলা করতে জানে।

একটি মিসরীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোনালদো বলেন, ‘অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা তাঁকে (রোনালদো জুনিয়র) এটা বোঝাতে চেষ্টা করে যে তাঁর বাবার চেয়েও সেরা আরেকজন ফুটবলার আছে। তবে আমার ছেলে আমার মতোই বুদ্ধিমান।

সে জানে, কীভাবে এসব পরিস্থিতি সামলাতে হয়।’ রোনালদো আরো জানান, তিনি ছেলেকে সর্বদা ভদ্র হওয়ার পরামর্শ দেন। জুনিয়রও কি সিনিয়রের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ফুটবলারই হবে?

রোনালদো আশা করেন, তাঁর পুত্র তাঁকেই অনুসরণ করুক। ‘আমি তাকে জোরাজুরি করতে চাই না সে ফুটবলার হোক, এটাই আমার চাওয়া।

তবে আমার পরামর্শ থাকবে, সে যেন গোলরক্ষক না হয়।’ রোনালদোর কাছে জানতে চাওয়া হয়, কাকে আদর্শ মনে করে বেড়ে উঠেছেন তিনি। প্রশ্নের জবাবে রিয়াল তারকা বলেন, ‘আমার নিজের একটি স্টাইল আছে।

আমি কাউকে অনুসরণ করি না বা কারো মতো হতে চাইনি।’ নতুন বছরের পরিকল্পনা সম্পর্কে পর্তুগিজ তারকা বলেন, ‘এখন যেমন আছি, ভবিষ্যতেও তেমনি থাকতে চাই। রিয়ালেই খেলে যেতেই ক্যারিয়ারের শেষ পর্যন্ত।