মেইন ম্যেনু

ছেলে না মেয়ে হয়েছে, ৯ মাস পরেও ধন্দে শিশুর বাবা-মা

নয় মাস আগে সন্তান হয়েছিল৷ কোল আলো করে যে এসেছে তার পরিচয় জানতে আপাতত হাসপাতালে চক্কর কাটছেন শিশুটির মা, বাবা৷ নিজের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা এখনও জানতে পারেননি শিশুটির মা সুমিতা ক্ষেত্রপাল ও বাবা সুমন্ত ক্ষেত্রপাল৷ লিঙ্গ নির্ধারণের গেরোয় শিশুটির নামও ঠিক করতে পারেননি পরিবারের লোকেরা৷

এ বছর পশ্চিম বাংলায় হুগলি জেলার চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে ভর্তি হন সুমিতাদেবী৷ সেখানেই ২২ জানুয়ারি তার সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়৷ কিন্তু এর পর থেকেই শুরু হয় বিপত্তি৷ সুমিতাদেবী জানিয়েছেন, হাসপাতাল থেকে আমাকে বলা হয় শিশুটি ছেলে না মেয়ে সে নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে৷ সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সুমিতাদেবী এ কথা শুনেই আকাশ থেকে পড়েন৷ চিকিৎসকরা ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে শিশুটির লিঙ্গের জায়গায় লিখে দেন ‘অ্যাম্বিগুয়াস’৷

এদিকে স্পষ্ট করে লিঙ্গ না লেখার কারণে বার্থ সার্টিফিকেট তৈরি করতে পারছেন না শিশুটির মা-বাবা৷ বাচ্চাটির মায়ের দাবি, ভারত সরকারের প্রদত্ত বার্থ সার্টিফিকেটের যে ওয়েবসাইট সেখানে কেবলমাত্র ছেলে এবং মেয়ে এই দু’টি বিকল্প রয়েছে৷ অন্য লিঙ্গের উল্লেখ না থাকায় তারা বার্থ সার্টিফিকেট করতে পারছেন না৷ গত ৯ মাস ধরেই তাই হাসপাতালের দোরে দোরে ঘুরছেন শিশুটির মা-বাবা৷ খবর দেখতে টিভিতে চোখ রাখেন বাবা সুমন্ত ক্ষেত্রপাল৷ পড়েন খবরের কাগজও৷ তার কথায়, “খবরে শুনেছি সুপ্রিম কোর্ট তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি দিয়েছে৷ কিন্তু আমাদের সন্তানের ক্ষেত্রে পরিষ্কার করে কিছু না লেখায় আমরা জন্মশংসাপত্র তৈরি করতে পারছি না৷” সংবাদ প্রতিদিন