মেইন ম্যেনু

ছোট্ট আরহামকে কাবা শরীফে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে মুখ খুললেন তামিম

ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় মূল্যবোধের বিশ্বাস নিয়ে বড় হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওপেনার ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। সন্তানের প্রথম বিদেশ সফরের ক্ষেত্রেও তা ফুটে উঠেছে। সন্তানের জন্মের কিছুদিন পরেই স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে ওমরাহ পালনে গিয়েছিলেন তামিম।

ছোট্ট আরহামকে আল্লাহর ঘরে নিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে তামিম বলেন, “আমার সবসময় ইচ্ছা ছিল, আমি যখন প্রথম ওমরাহ গিয়েছিলাম, তখন খুব ভালো লেগেছে ওখানে। আমার ইচ্ছা ছিল আমার বাচ্চা হলে ওকে ওখানে নিয়ে যাবো”।

তামিম আরও বলেন, “যখন আরহামের জন্ম হয় তখন আমাদের ওমরাহতে যাওয়ার কথাই প্রথম মাথায় এসেছে। আমরা ওকে নিয়ে চিন্তা করলাম, ওর প্রথম ট্রিপটা ওমরাহতেই হোক, আল্লাহর ঘরেই হোক। ওমরাহ্ না করতে পারলেও অন্তত আল্লাহ্‌র ঘরটা তো দেখতে পারবে। আল্লাহ্‌র রহমতে সে আমার স্ত্রীর সাথে ওমরাহ করেছে অবশেষে যা আমাদের জন্য অনেক বড় কিছু”।

বেশীরভাগ ভক্ত এবং গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে তামিমের পরিচয় গম্ভীর অথবা রাশভারি হিসেবে। তবে নিজের কাছের মানুষদের কাছে এই তামিমই আবার রসিক এবং বন্ধুবৎসল। অপরিচিত মানুষের সাথে তামিম খুব একটা কথা বলেন না বলেই জানালেন।

“আমি যে ধরনের মানুষ, আমি আসলে যাকে খুব ভালোভাবে চিনি না তার সাথে আমি খুব একটা সহজ হতে পারি না, আমি কথা খুব একটা বেশি বলি না, কিন্তু যাকে আমি চিনি, যারা আমার বন্ধু তাদের সাথে আমি খুবই ফ্রেন্ডলি।আমি প্রচুর পরিমাণে আড্ডা মারতে পছন্দ করি। আর যারা দূর থেকে দেখে তারা হয়তো একটা কিছু ধারণা নিয়ে থাকতে পারে। তবে যারা আমাকে খুব কাছ থেকে চেনে, আমার টীমমেট বলেন, আমার ফ্রেন্ড সার্কেল বলেন তারাই আসলে সঠিক উত্তর দিতে পারবে আপনাকে যে আমি কেমন মানুষ”।

ক্রিকেটে এখনও সাত থেকে আট বছর থাকতে চান বাংলাদেশ দলের এই অপরিহার্য ওপেনিং ব্যাটসম্যান। ভক্তদের হাসি কান্নাকে সঙ্গী করেই বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আরও অনেক কিছু দিতে চান তিনি।



« (পূর্বের সংবাদ)