মেইন ম্যেনু

‘জঙ্গি মদদদাতাদের খুঁজে বের করা সময়ের ব্যাপারমাত্র’

জঙ্গি হামলায় দেশি-বিদেশি মদদদাতাদের খুঁজে বের করা সময়ের ব্যাপারমাত্র বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

জঙ্গি সংশ্লিষ্টতায় গণমাধ্যমে যাদের ছবি দেখানো হচ্ছে তাদের সম্পর্কে তথ্য দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গি ঘটনায় বাংলাদেশ প্রশ্নের সম্মুখীন হলেও বিনিয়োগে যাতে প্রভাব না পড়ে সরকার সে উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ সারাবিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। ২০১৫ সালে বাস-রেলে আগুন, মানুষ পুড়িয়ে মারার প্রায় তিনটি মাসে যে ঘটনা ঘটানো হয়েছে এবং ২০১৪ সালে নির্বাচন বন্ধের নামে যে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে সবগুলোই কিন্তু বাংলাদেশের ভাবমূর্তি প্রশ্নের সম্মুখিন হয়েছে। তবে আমরা সুশাসান প্রতিষ্ঠা করেছি। যার ফলে আমরা অল্প সময়ে দ্রুত এ সমস্যা উত্তরণে সমর্থ হয়েছি। যারা বিদেশি বিনিয়োগকারী তাদের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি হয়।’

তিনি বলেন, ‘গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেছি। ইতোমধ্যে ৭৭টি অর্থনতিক অঞ্চলের স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। আগামী ১৫ বছরের মধ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে করে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগাকারীদের বাংলাদেশের বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ ইতোমধ্যেই সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিনোয়াগকারীদের বিশেষ বিশেষ শিল্পখাতের জন্য ৫-১০ বছরের কর রেয়াত সুবিধা, শতভাগ রপ্তানিমুখি শিল্পে শূন্য শুল্কহারে যন্ত্রপাতি আমদানি ও বন্ড সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির সুবিধা, দ্বৈত কর রেয়াত সুবিধা, ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা, রয়্যালিটি, ক্যাটাগরি সহায়তা, কারিগরি প্রজ্ঞান ফি প্রত্যাবর্তন সুবিধা, ইউরোপসহ অধিকাংশ উন্নত দেশে ডিউটি ও কোটা ফ্রি প্রবেশে সুবিধাপ্রাপ্ত, শতভাগ বিদেশি মালিকানা সুবিধা, শতভাগ মুলধন ও মুনাফা সুবিধা, বিদেশি কর্মীদের কর্মানুমতি, ইউডি, আইআরসি, ইআরসি এবং বন্ড নবায়ন সুবিধা দেয়া হচ্ছে।’