মেইন ম্যেনু

জনপ্রিয়তায় সব নায়কদের হেলায় হারিয়ে শীর্ষে দেব

তিনি ‘পাগলু’ হোন কিংবা চাঁদের পাহাড়ের শংকর, বরাবরই জনপ্রিয়তায় ‘লে ছক্কা’ হাঁকান। টলিপাড়ায় অনেক অভিনেতাই আছেন, কিন্তু সকলেই স্টার নয়। গোড়া থেকেই জনপ্রিয়তার সুতোটি নিজের হাতে রেখে তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন কেন তিনি স্টার। আবার সেই স্টার ইমেজ ধরে রেখে স্রেফ অভিব্যক্তিতেই প্রমাণ করে দিয়েছে তিনি দক্ষ অভিনেতাও বটে। এ সবেরই মিলল স্বীকৃতি। সেরা জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে বিএফজেএ অ্যাওয়ার্ড পেলেন দীপক অধিকারী, যাকে সবাই চেনে ‘দেব’ নামে।

সাংবাদিকদের চোখে ধরা পড়া ভালমন্দর নিরিখেই দেওয়া হয় পুরস্কার। বছরভর কাজের খাতিরে অভিনেতা ও সাংবাদিকরা যেন এক সংসারের সদস্য হয়ে ওঠেন। সেই পরিবাররেই অনুষ্ঠান এই অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি। গোটা বছর অভিনেতা ও তাদের

কাজ কাছ থেকে দেখার যে অভিজ্ঞতা তারই প্রতিফলন হয় অ্যাওয়া্র্ডে। এবার সেই দৃষ্টিভঙ্গিই সেরা জনপ্রিয় অভিনেতার সম্মান দিল দেবকে।

‘জুলফিকর’ ছবিতে নির্বাক মার্কাস আলির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন দেব। এরকম এক চরিত্রে তাকে কাস্ট করে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছিলেন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়। তার আস্থার মর্যাদা দিয়েছেন দেব। কথা নয়, কাজে-অভিব্যক্তিতে। চোখের দৃষ্টিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন স্টার থেকে অভিনেতা হয়ে ওঠার পথে অনেকটা পথই হেঁটে এসেছেন তিনি। দর্শকও ভালবেসেছিলেন এই মার্কাসকে। এবার তাই জনপ্রিয় অভিনেতা হলেন তিনিই। খবর সংবাদ প্রতিদিনের।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারগুলি-

সেরা অভিনেতা- প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (ক্ষত), পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (সিনেমাওয়ালা)

সেরা সহ-অভিনেতা-ঋত্বিক চক্রবর্তী (সাহেব বিবি গোলাম)

সেরা সহ-অভিনেত্রী- অপরাজিতা আঢ্য (প্রাক্তন)

সেরা খলনায়ক- যিশু সেনগুপ্ত ( জুলফিকর)

সেরা ছবি- সিনেমাওয়ালা (পরিচালনা- কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়)

বছরের সেরা জনপ্রিয় ছবি– প্রাক্তন (পরিচালনা- শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়)

জীবনকৃতি সম্মান– মাধবী মুখোপাধ্যায়

শ্রেষ্ঠ নেপথ্য সংগীত- বিক্রম ঘোষ (ঈগলের চোখ)

সেরা গীতিকার- অনুপম রায় (তুমি যাকে ভালবাস, প্রাক্তন)

ঋতুপর্ণ ঘোষ স্মৃতি পুরস্কার- প্রতীম ডি গুপ্ত ( সাহেব বিবি গোলাম)

প্রতিশ্রুতিমান অভিনেতা- অনির্বাণ ভট্টাচার্য (ঈগলের চোখ)

সেরা নেপথ্য সংগীত শিল্পী- নচিকেতা(এক পুরনো মসজিদে), ইমন(তুমি যাকে ভালবাস)