মেইন ম্যেনু

জন কেরির সফরে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির ঝটিকা সফরের পর প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়ে এখন চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক আমেনা মহসিন এরমতে, কেরির সফরের ফলে সন্ত্রাস দমনে মার্কিন সহযোগিতার প্রস্তাব পেতে যাচ্ছে কার্যকর রূপ। সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. এ কে আবদুল মোমেনের পরামর্শ, বঙ্গোপসাগরে মার্কিন নৌযান টহল বিষয়ে কেরির প্রস্তাবে সতর্ক থাকার।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে আসতে যে সময় লেগেছিলো তার চেয়েও কম সময় ঢাকায় ছিলেন জন কেরি। প্রায় আট ঘন্টার এই সময়টায় প্রধানমন্ত্রী, সরকারের চার মন্ত্রী, আর বিএনপি চেয়ারপারসনের সাথে বৈঠকে কী পেল দেশ তার হিসেব নিকেশ এখন টক অব দ্যা টাউন।

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলেন, শুধু প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির জায়গা থেকে দেখলে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের পুরো চিত্র বোঝা যাবেনা।

সন্ত্রাসবাদ আমাদের একটা বড় শঙ্কা-আশঙ্কার বিষয় এবং সন্ত্রাসবাদ যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও শঙ্কার বিষয়। তাদেরটা বৈশ্বিক পর্যায়ে আর আমাদেরটা রাষ্ট্রিয় পর্যায়ে। আমাদের যে স্থানটা আছে সেখানে আমরা কাজ করতে পারছি তার সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আমাদের মতকরে আমরা সাহায্য নিতে পারি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক আমেনা মহসিন বলেন, সন্ত্রাসবাদ দমনে জন কেরি যেভাবে সহায়তার মনোভাব দেখিয়েছেন, একইসাথে মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তিনি যে বার্তা দিয়েছেন তা এই সফরের ইতিবাচকতাই প্রমাণ করে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে উগ্র সন্ত্রাসবাদ দমনে কারিগরি সহায়তা নেয়া যেতে পারে। তবে সজাগ থাকতে হবে বঙ্গোপসাগরে মার্কিন নৌ-যান টহলে জন কেরির প্রস্তাবে।

এছাড়া বাংলাদেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগের অবস্থানেই আছে নাকি তাদের নীতির পরিবর্তনের বার্তা দিলেন জন কেরি এমন প্রশ্নে অধ্যাপক আমেনা মহসিন বলেন, অবস্থান বদলায়নি, বদলেছে বলার ধরণ।

তবে ওবামা প্রশাসনের শেষ সময়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রীর এই সফর সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক আরও জোরদার হবারই ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করেন এই বিশ্লেষকেরা। -চ্যানেল ২৪