মেইন ম্যেনু

জবি ছাত্রদলের কমিটিতে বাবা, ব্যবসায়ী ও শিবির!

দীর্ঘদিন পর নতুন নেতৃত্ব পেলেও কমিটির শীর্ষপদে স্থান পাওয়া নেতাদের নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে। কমিটিতে জায়গা পাওয়া নেতাদের মধ্যে শুধু বিবাহিতরাই নন, একাধিক সন্তানের বাবা, ব্যবসায়ী ও শিবির কর্মীও নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

যদিও নবগঠিত কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক একথা মানতে নারাজ। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ প্রায় ১০ থেকে ১১বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ছিল না। এ কারণে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে অনেক প্রার্থী ছিল। যেজন্য যারা পদ পায়নি তারা এখন অভিযোগ করছেন। অনেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন। কিন্তু যারা পদ দিয়েছেন তারা সবকিছু যাচাই বাছাই করে দিয়েছেন।’

গত শনিবার দিবাগত রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দিয়েছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় রফিকুল ইসলাম রফিককে সভাপতি এবং আসিফুর রহমান বিপ্লবকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, নবগঠিত কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান খলিল, মনিরুজ্জামান খান মনির ও জিকরুল হাসান বিবাহিত এবং ব্যবসায়ী। সাধারণ সম্পাদক আসিফুর রহমান বিপ্লব ব্যবসায়ী ও এক সন্তানের জনক।

এছাড়াও কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক কাওছারের বিরুদ্ধে শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে। আসাদুজ্জামান আসলাম বিবাহিত। তিনি একসময় শিবির করতেন বলেও অভিযোগ আছে। আর মঞ্জুরুল করিম ও কাজিম উদ্দিন বিবাহিত এবং ব্যবসায়ী।

নতুন কমিটিতে বিবাহিত এবং ব্যবসায়ীদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ছাত্রদল নেতাকর্মীদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এককর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘যারা রাজপথে ছিলেন তাদের সঠিক মূল্যায়ন করা হয়নি। এই কমিটি হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মরণকালের সবচেয়ে দুর্বল কমিটি। যাদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে তারা কখনো রাজপথে ছিল না। এমনকি তারা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে।ঢাকাটাইমস