মেইন ম্যেনু

জানেন, ট্রাফিক কনস্টেবলদের ক্ষমতা কতটুকু?

ট্রাফিক পুলিশ। রাস্তার যানজট নিরসনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন তারা। আপনার আমার এবং আমাদের নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা অনিস্বীকার্য।

তারা আছেন বলেই আমরা নির্বিঘ্নে যানজটমুক্ত শহরের শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে যাতায়াত করতে পারছি। কখনো কখনো আইন অমান্য করার অপরাধে জরিমানা করে মাললাও ঠুকে দিচ্ছেন ট্রাফিক পুলিশ। আর এতেই বিগড়ে যাচ্ছে আপনার মুড! তবে জানেন কি, রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা এই ট্রাফিক কনস্টেবলদের ক্ষমতা কতটুকু?

অনেকেই হয়তো তা জানেন না। আর জানেন না বলেই হয়তো বিভিন্ন সময় সমস্যায় পড়েন গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে। সঠিক কাংগজ থাকা সত্বেও ভয়ের থেকেই দিতে হয় একগুচ্ছ ফাইন। বেশিরভাগ সময় ট্রাফিক কনস্টেবল বা অন্য কোনও পুলিশকর্মী চালকের কাছ থেকে গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চান।

কিন্তু আইন বলছে, তারা সেই কাজ করতে পারেন না। সাব ইন্সপেক্টর বা তার থেকে উর্ধ্বতন কোনও কোনও পুলিশ অফিসারই একমাত্র গাড়ির কাগজ দেখতে চাইতে পারেন। পদাধীকার বলে একজন ট্রাফিক কনস্টেবল কোনও গাড়ি আটক করতে পারেন না। চালককে গ্রেফতার করার অধিকারও নেই তার।

তবে, মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালালে বা গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ব্যবহার করলে এমনকী বাধাধরা গতির বাইরে শহরে গাড়ি চালালে কিছুকিছু ক্ষেত্রে একজন ট্রাফিক কনস্টেবল চালকের লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করতে পারেন। আর সেখানে হেড কনস্টেবল শুধু ১০০ টাকা জরিমানা নিয়ে চালান দিতে পারেন। আর ১০০ টাকার বেশি জরিমানা করা হলে সেই চালানে পদস্থ পুলিশ কর্তাকেই সই করতে হবে। আর এই আইনই চলছে পুরো ভারতজুড়ে।