মেইন ম্যেনু

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে বিএনপির ফেসবুক প্রচারণা

দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণার শুরু করেছে বিএনপি। জিয়াউর রহমানের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দলের নিজস্ব ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ২০শে মে থেকে এ প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জিয়ার কর্মময় জীবনের ওপর রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, শিল্পী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মূল্যায়নধর্মী বাংলা ও ইংরেজি লেখা, ডকুমেন্টারি, ভিডিও ফুটেজ, বক্তব্য, গান, কবিতা ও চিত্রস্থিত্রের সমন্বয়ে শুরু হয়েছে এ প্রচারণা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন নতুন নতুন লেখা ও ভিডিওচিত্র আপলোডের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে এ প্রচারণা চালানো হবে বলে জানিয়েছেন দলের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নেতা। বিএনপির নিজস্ব ফেসবুকের সঙ্গে ট্যাগ রয়েছে বিভিন্ন দূতাবাস, দেশি-বিদেশি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, দেশে-বিদেশি কূটনীতিক, গবেষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানসহ দেশের রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্টজনদের ভিডিও বক্তব্য আপলোড করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনের লেখা ও ভিডিও বক্তব্য আপলোড করা হয়েছে। জিয়াউর রহমানের রাজনীতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতাসহ সার্বিক রাজনীতি নিয়ে লিখেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে জিয়ার অবদান নিয়ে লিখেছেন সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ। মুক্তিযুদ্ধে জেড ফোর্সের ভূমিকা নিয়ে লিখেছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম ও কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক। সাংগঠনিক কর্মকান্ডে জিয়ার দূরদর্শিতা নিয়ে লিখেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমেদ, প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ, প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া, প্রফেসর ড. তাজমেরি এস ইসলাম, চিত্রনায়ক আশরাফউদ্দিন উজ্জ্বলসহ অনেকেই বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক মূল্যায়নধর্মী লেখা লিখেছেন এবং মূল্যায়নধর্মী বক্তব্য দিয়েছেন, যা ধারাবাহিকভাবে আপলোড করা হবে। এছাড়া দেশের বিশিষ্ট নাগরিকসহ সর্বসাধারণের কাছে জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের ওপর অনূর্ধ্ব ২০০ শব্দের লেখা আহ্বান করা হয়েছে। সেখান থেকে বাছাইকৃত লেখাগুলোও আপলোড করা হবে।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, সরকার দেশের গণমাধ্যমগুলোতে আমাদের দল ও নেতৃত্বের কর্মকান্ডের প্রচার-প্রচারণাও ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। অতীতের মতো আমরা ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ক্রোড়পত্র প্রকাশসহ প্রচারণা চালাতে পারছি না। ফলে বিকল্প পথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ প্রচারণা চালাতে হচ্ছে। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি ও অঙ্গদলের তরফে ১৫ দিনের ধারাবাহিক কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে সেগুলো শুরু হয়েছে। আমরা নিজস্ব ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবনের ওপর রাজনীতিক, বিশিষ্ট নাগরিকদের মূল্যায়নধর্মী লেখা ও বক্তব্য প্রচার শুরু করেছি। আশা করি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে সংযুক্ত বিএনপি নেতাকর্মীসহ দেশের সাধারণ মানুষ এবং বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন সম্পর্কে জানতে পারবেন।-এমজমিন