মেইন ম্যেনু

জীবিত নেতার ‘মৃত্যুর’ শোকবার্তা পাঠালেন খালেদা

দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপি। দলটি একাধিকবার রাষ্ট্র ক্ষমতায়ও গেছে! তবে দলটির এখন লেজেগোবরে অবস্থা। এটি সহজেই অনুমান করা যায় দলীয় চেয়ারপারসনের একটি শোকবার্তা হতে।

রোববার চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর হায়দার খানের ‘মৃত্যুর’ খবর জানিয়ে গণমাধ্যমে শোকবার্তা পাঠায় দলটি। দলের সহ-দফতর সম্পাদক স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এ নিয়ে শোকও প্রকাশ করেছেন দলটির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর হায়দার খান গতকাল রাত দেড়টায় ঢাকাস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।’

BNP-120160411133616

তবে এরপরই একই ‘গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ স্বাক্ষরিত আরেকটি বিবৃতিতে দুঃখপ্রকাশ করে বলা হয়, ‘চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর হায়দার খান গতরাতে মৃত্যুবরণ করেছেন মর্মে খবর পেয়ে আমরা আজ বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোকবার্তা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রেরণ করেছিলাম। বাস্তবে তিনি এখন অ্যাপোলা হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে লাইফ সার্পোটে রয়েছেন। অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপার্সনের শোকবার্তা পাঠানোর জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

শুধু তাই নয়, এর আগে ১০ এপ্রিল নয়াপল্টন দফতর থেকে জানানো হয় প্রেসক্লাবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একটি প্রোগ্রাম রয়েছে। এর কিছুক্ষণ পর আবার জানানো হয়- ‘দুঃখিত প্রোগ্রামটি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউটে’।

BNP-220160411133621

এ প্রসঙ্গে মুখ খুলতে নারাজ দলটির নেতারা। তাদের দাবি- দায়িত্বে অবহেলার কারণে প্রায়শ এমন ঘটনা ঘটে। কাণ্ডজ্ঞানহীন এমন আচরণের সমালোচনাও করেছেন অনেক নেতা।

তাদের দাবি, দফতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে দক্ষ লোকদের দায়িত্ব না দেয়ায় এমন ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে।