মেইন ম্যেনু

জুটি বেঁধে ক্যারিয়ার শুরু করেছেন তারা…

বলিউড তারকাদের ক্যারিয়ারের শুরুটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতেই সাফল্য কে না চায়? আর সে সাফল্য যদি হয় জুটি বেঁধে, তবে তো সোনায় সোহাগা। ছবির সঙ্গে সঙ্গে সফল হয়েছেন নবাগত নায়ক ও নায়িকা, এমনই কিছু জুটি-

সূরাজ পাঞ্চোলি-আথিয়া শেঠি: বলিউডের নবতর সংযোজন নতুন এই জুটি। আদিত্য পাঞ্চোলির ছেলে ও সুনীল শেঠির মেয়ে পা রাখলেন সালমান খান প্রযোজিত ‘হিরো’ ছবির মাধ্যমে।

টাইগার শ্রফ-কৃতি শ্যানন: গতবছর ‘হিরোপান্তি’ ছবি দিয়ে বলিউড অভিষেক হয়েছে এ জুটির। নবাগত হিসেবে দুজনেই জিতে নিয়েছেন পুরষ্কার। দুজনেই ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাচ্ছেন-

সিদ্ধার্থ মালহোত্রা-আলিয়া ভাট-বরুণ ধাওয়ান: জুটি নয়- করণ জোহর একসঙ্গে তিনজন স্টার উপহার দিয়েছেন ২০১২ সালে। ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ ছবিতে অভিষেকের পরে তাদের গাড়ি ব্রেক ফেল। একের পর এক ছবি ও সাফল্যে নতুনের জয়গান।

রণবীর কাপুর-সোনম কাপুর: দুজনেই তারকা সন্তান। ঋষি-নীতু দম্পতির ছেলের সঙ্গে অনিল তনয়ার অভিষেক হয়েছে সফল নির্মাতা সঞ্জয় লীলা বনসালির হাতে। ২০০৮ সালে ‘সাওয়ারিয়া’ থেকে শুরু করে আজকের পরিপূর্ণ দু’জন তারকা- মুখের কথা নয়।

অভিষেক বচ্চন-কারিনা কাপুর: একদিকে বচ্চন, অন্যদিকে কাপুর খান্দান। দুই উত্তরসূরীকে নিয়ে ২০০০ সালে জেপি দত্ত নির্মাণ করেন ‘রিফিউজি’। ব্যবসায়িক সাফল্য না পেলেও প্রথম ছবিতেই সমালোচক পুরস্কার অর্জন করেন তারা। আর সাফল্য! পরিবারের যোগ্য সন্তান বলতে হবে।

হৃত্বিক রোশন-অমিশা প্যাটেল: শতাব্দীর শুরুতেই নিজের ছেলেকে রূপালী পর্দায় আনেন নির্মাতা রাকেশ রোশন। সাফল্য ও জনপ্রিয়তায় মাইলস্টোন সৃষ্টি করে নতুন এ জুটির ‘কাহো না পেয়ার হ্যায়’। হৃত্বিকের ক্যারিয়ারগ্রাফ উর্দ্ধমুখী হলেও মূলধারা থেকে অনেকটাই দূরে সরে গেছে অমিশা।

সালমান খান-ভাগ্যশ্রী: ১৯৮৯ সালে বক্স অফিস কাঁপিয়ে দিয়েছে ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ ছবিটি। এখনও পর্যন্ত মিষ্টি প্রেমের গল্পটি আছে দর্শকের পছন্দের তালিকায়। শুরু থেকেই স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রেখেছেন সাল্লু ভাই, কিন্তু হারিয়ে গেছে মোহময়ী ভাগ্যশ্রী।

আমির খান-জুহি চাওলা: ১৯৮৮ সালে অভিজ্ঞ নির্মাতা মনসুর খান আবিষ্কার করেন নতুন এই জুটিকে। ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তাক’ ছবিটি ইতিহাস হয়ে আছে- সাফল্য এবং জনপ্রিয়তাও এই জুটির পিছু ছাড়েনি।

কমল হাসান-রতি অগ্নিহোত্রী: ‘এক দুজে কে লিয়ে’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পরে ঠিক বিখ্যাত নয়, বলা ভালো কুখ্যাত হয়ে উঠেছিল। শোনা যায় ১৮৮১ সালে ছবিটি মুক্তির পরে প্রেমিক জুটির আত্মহত্যার পরিমাণ বেড়ে যায়- ছবির শেষ দৃশ্যের অনুকরণে। কমল হাসান দক্ষিণে ঝড় সৃষ্টি করেন এখনও, ছোটপর্দা ও চলচ্চিত্রে রতিও ব্যস্ত অভিনেত্রী।

ঋষি কাপুর-ডিম্পল কাবাডিয়া: ১৯৭৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ববি’ ছবিটি রাতারাতি সুপারস্টার বানিয়ে দেয় নবাগত এই জুটিকে। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরষ্কার জিতে নেন তারা। এখনও পর্যন্ত ভারতীয় ছবির ইতিহাসে অনন্য নাম হয়ে আছে ‘ববি’, সেই সঙ্গে সুপারস্টার খেতাবটাও রয়েছে তাদের গায়ের তকমা হয়ে।