মেইন ম্যেনু

জেএমবি নেতা গাফফার গ্রেপ্তার, দুই পীর খুনের দায় স্বীকার

রাজধানীর গোপীবাগে আলোচিত ছয় হত্যাকাণ্ডসহ খিজির খান হত্যা মামলায় জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) নেতা আব্দুল গাফফারকে (৩৭) গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এক ক্ষুদে বার্তায় পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মুনতাসীরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল গাফফার গোপীবাগের ছয় হত্যাকাণ্ড এবং খিজির খান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেছেন।

শুক্রবার ডিবির পরিদর্শক কাজী গোলাম কাদির তাকে (গাফফারকে) ঢাকা মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে নিয়ে দশ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে দুই পীর হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার জেএমবি সদস্য তরিকুল ইসলাম মিঠু আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

২০১৩ সালের ২১ ডিসেম্বর (শনিবার) সন্ধ্যায় রাজধানীর গোপীবাগের আর কে মিশন রোডের ৬৪/৬ নাম্বার বাসার দোতলায় লুৎফর রহমান ফারুক (৬০), তার ছেলে মনির হোসেন (৩০), অনুসারী সাইদুর রহমান (৩০), মজিবর রহমান (৩২), রাসেল (৩০) ও বাসার তত্ত্বাবধায়ক মঞ্জুর আলম ওরফে মঞ্জুকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

হত্যাকাণ্ডের পর দিন (২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর) ওয়ারী থানায় অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত লুৎফর রহমানের ছোট ছেলে আবদুল্লাহ আল ফারুক।

এরপর গত ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় ঢাকার মধ্য বাড্ডায় খিজির খানকে নিজ বাসায় গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। মধ্য বাড্ডার বাড়িটির তৃতীয় তলায় পরিবার নিয়ে থাকতেন খিজির খান। এর দোতলায় রয়েছে রহমতিয়া খানকাহ শরিফ (ঢাকা শাখা)। খিজির খান এই খানকাহ শরিফের পীর ছিলেন।