মেইন ম্যেনু

জেনে নিন, এই গরমে কী ভাবে গোসল করা উচিত?

অতিরিক্ত গরমে ঘাম দূর করতে, ক্লান্তি কাটাতে বার বার গোসল করেন অনেকেই। তবে জানেন কি এই সময় অতিরিক্ত গোসল করাও শরীরের পক্ষে খারাপ? আবার গোসলের সময় মেনে চলতে হবে কিছু নিয়মও। জেনে নিন কী ভাবে গোসল করবেন এই গরমে।

কখন গোসল করবেন না : বাইরে থেকে বাড়ি ফিরেই গোসল করবেন না। গায়ের ঘাম শুকিয়ে তারপরই গোসল করতে যান। মাঝ রাতে গরমে ঘুম ভেঙে গেলেও গোসল করবেন না। ঘাড়ে, হাতে, পায়ে, মুখে পানি দিয়ে, দরকার হলে পোশাক বদল করে শুতে যান।

গোসল : দিনে দু’বার গোসল করুন। যত সকালের দিকে গোসল করে নেবেন তত আরাম পাবেন। দ্বিতীয় বার গোসল করুন সূর্য ডোবার পর বা কাজ থেকে বাড়ি ফিরে।

শুকনো শরীর : গরমে অনেকেই গোসল করে গা মোছেন না। ভেজা শরীরেই জামা পরে নেন। এতে ঘাম বেশি হয়। গোসল করে শুকনো করে গা মুছে নিন।

গা মোছা : যতই গরম লাগুক দিনে দু’বারের বেশি গোসল করলে শরীর আর্দ্রতা হারাবে। ঘাম হলে তোয়ালে বা গামছা ভিজিয়ে গা মুছে নিন।

ফ্যান : গোসল করেই ভেজা শরীরে ফ্যানের তলায় আসবে না। গা মুছে তারপর ফ্যানের তলায় আসুন।

পানি : সাধারণ তাপমাত্রার পানিতে গোসল করুন। পানির তাপমাত্রা খুব গুরুত্বপূর্ণ। গরম পানিতে গোসল করলে রোমকূপ বড় হয়ে যাবে। ফলে ময়লা ঢুকবে বেশি। আবার অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি শরীরকে শুষ্ক করে দেবে।

সাবান বা বডি সোপ : গরমে যে কোনো সাবান নয়, নিম, অ্যান্টিসেপটিক সাবান বা জেল বডি সোপ ব্যবহার করুন।

লুফা (মাজনি) : গরমে লুফা নয়। এতে ত্বক আর্দ্রতা হারাবে। গরমে আরো বেশি কষ্ট হবে। হাত দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করুন শরীর।

লবন : গরম কালে কিন্তু লবন পানিতে গোসল করা ভালো। গোসলের পর ভেজা শরীরে লবন মাখিয়ে মাসাজ করুন।
তার কিছু পর ধুয়ে ফেলুন। এতে গরমে সুস্থ থাকবেন।

এসেনশিয়াল অয়েল : গরমে পানি মিশিয়ে নিতে পারেন ল্যাভেন্ডার, রোজ, টি-ট্রি বা পেপারমিন্ট অয়েলের সাথে। তারপর মিশ্রিত পানিতে গোসল করুন। দুশ্চিন্তা কমে শরীর অনেক হালকা লাগবে, ঘামও কম হবে।

অ্যান্টি-সেপটিক : গরমে ঘাম জমে শরীরের খাঁজে ঘামাচি, চুলকুনি হতে পারে। গোসলের পানিতে অ্যান্টিসেপটিক মিশিয়ে গোসল করুন। গোসলের পর তুলা ভিজিয়ে ওই অংশে অ্যান্টিসেপটিক লাগালেও কাজ দেবে।

স্ক্রাব : গরমে ঘাম হলে শরীরে ময়লা জমে। ফলে আরো বেশি ঘাম হয়। ওটমিল এই সময়ের সবচেয়ে ভাল স্ক্রাব।
সপ্তাহে এক দিন ওটমিল সক্রাব করুন গোটা শরীরে।-অনন্দবাজার