মেইন ম্যেনু

জেনে নিন, কোন ৮টি স্থানে মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ

এমন কিছু স্থান রয়েছে যেখানে বহু যুগ ধরে মহিলাদের প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। এর পেছনে যুক্তি হল- ওই সব স্থানে মহিলারা প্রবেশ করলে নাকি ‘পাপ’ হবে। কারণ তারা ‘অপবিত্র’। এই ‘অজুহাতে’ বহু প্রাচীন। এ নিয়ে অনেক আন্দোলন-প্রতিবাদ হয়েছে। কোথাও মহিলাদের জয় হয়েছে আবার কোথাও পরাজয়।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতার নামে এমনই বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে ভারতীয় হিন্দু রানীদের প্রতি। যুগ যুগ ধরে চলা এই ধারার আরোকটি নজির সামনে দেশটির মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলার শনি মন্দিরে নারীদের প্রবেশে বাঁধার দেয়ার মধ্য দিয়ে।

গত জানুয়ারিতেই ৪০০ বছরের রীতি ভেঙে মহিলাদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে উত্তরাখণ্ডের পরশুরাম মন্দিরে। সম্প্রতি সবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বেশ হৈ চৈ হয়।

এ রকমই বেশ কয়েকটি ধর্মীয় স্থান রয়েছে যেখানে এখনও মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। কোথাও আবার দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।

সবরীমালা মন্দির: কেরলের এই মন্দিরে পুরুষদেরই একাধিপত্য। মন্দিরের পূজিত বিগ্রহ আয়াপ্পা। তিনি ব্রহ্মচারী ছিলেন বলে কোনও ঋতুমতী (১২-৫০ বছর) মহিলাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না।

ধর্মশালার আন্নাপ্পা স্বামী মন্দির: ম্যাঙ্গালোরের এই মন্দিরে মহিলা প্রবেশ নিষিদ্ধ। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এখানকার আরাধ্য দেবতা আন্নাপ্পা সবরীমালা মন্দিরে পূজিত আয়াপ্পার ভাই।

হাজি আলি দরগা: সৈয়দ পীর হাজি আলি শাহ বুখারির স্মরণে ১৪৩১ সালে তৈরি হয় দরগাটি। মুম্বইয়ের ওরলির সমুদ্রোপকূলে রয়েছে এই দরগা।

শনি সিঙ্গনাপুর: মহিলারা ‘অপবিত্র’ এই ‘অজুহাতে’ মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলার শনি মন্দিরে প্রবেশ নিষেধ। এই প্রথা বহু প্রাচীন।

পটবৌসি সত্র: অসমের বরপেটা জেলার এই মন্দিরে পবিত্রতার কারণ দেখিয়ে বহু যুগ ধরে মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে। পরে অবশ্য এই প্রথা তুলে নেওয়া হয়।

পদ্মনাভস্বামী মন্দির: বিগ্রহ অনন্ত শয্যায় বিষ্ণু। মন্দিরে ঢুকতে গেলে নির্দিষ্ট পোশাক পরতে হয়। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মন্দির এটি।

হরিয়ানার কার্তিক মন্দির: পেহোবার এই মন্দিরটি পঞ্চম শতাব্দির। কার্তিকের ব্রহ্মচারিত্বকে রক্ষা করতেই মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আষাঢ় থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত ভক্তেরা নিষ্ঠার সঙ্গে আচার পালন করেন।

রনকপুর জৈন মন্দির: রাজস্থানের পালি জেলার এই জৈন মন্দির প্রথম তীর্থঙ্কর আদিনাথকে উত্সর্গ করে তৈরি করা হয়েছে। রাণা কুম্ভের নামে মন্দিরের নামকরণ করা হয়েছে।