মেইন ম্যেনু

জেনে নিন গরম নিয়ে চরম ৪টি তথ্য, একটু গরম কমলেও কমতে পারে

প্রচণ্ড দাবদাহে অস্থির জনজীবন। হাঁপিয়ে উঠেছে মানুষ। কোথাও একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস নেই। বৃষ্টির জন্য কাতর মানুষকুল। আপাতত এই দাবদাহ কমার কোন সুখ-বার্তা দিতে পারেনি আবহাওয়া অধিদপ্তর। ভাববেন না। গরম বন্ধ করতে না পারলেও কিছুটা স্বস্তি কিভাবে পেতে পারেন, সে কথাই বলব।

ধরুন, প্রচণ্ড গরমে ঝলসে যাচ্ছে মন প্রাণ। তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছেন। ভাবছেন এখনও এপ্রিলের অর্ধেকও হয়নি। পুরো মাসটা কাটাবেন কীভাবে? তারউপর তো আস্ত মে মাসটাও পড়ে রয়েছে। এত গরমে যে প্রাণ ওষ্ঠাগত। এত গরমে, চরম আবহাওয়া নিয়ে আপনার জন্য রইলো নিচের ৫ টা তথ্য। গরমটা এইটুকু সময়ের জন্য উপভোগ্য মনে হবে দেখুন।

১। বলা হয়, গরমে শসা খাওয়া ভালো। শরীর ঠাণ্ডা রাখে। সেক্ষেত্রে বলে দেওয়া শসা, বাইরের তাপমাত্রার থেকে শসার ভিতরের তাপমাত্রা অন্তত ১১ ডিগ্রি সেন্ট্রিগেড কম থাকে।

২। এই যে এখন হিটওয়েভ কথাটা এত শোনেন, এই কথাটার উত্‍পত্তি কবে থেকে বলতে পারেন? এই হিটওয়েভ শব্দটা প্রথম বলা হয় ১৮৯২ সালে নিউইয়র্কে। তখন নিউইয়র্ক শহরের তাপমাত্রা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, মানুষ এই কথাটা প্রথমবার বলে। যা আজ আমাদের খুবই পরিচিত শব্দ হয়ে উঠেছে এটি।

৩। গতবছর অর্থাত্‍ ২০১৫ সালে গরমের জন্য এ ভারতে সবথেকে বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে। শুধু এই রাজ্যেই অত্যাধিক তাপমাত্রার কারণে মারা গিয়েছিল ১৭৩৫ জন।

৪। এই পৃথিবীতে সবথেকে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা রয়েছে ১৯২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বরে। সেদিন লিবিয়ার তাপমাত্রা ছিল ৫৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস! ভাবুন, পড়েই টপ করে কপাল থেকে এক ফোঁটা ঘাম পড়ল না?