মেইন ম্যেনু

জেনে নিন ডিম খেলে কি হয়?

পুষ্টিবিদরা বলেন, ডিমের কুসুমে পাওয়া যায় ভিটামিন-এ ও ভিটামিন-বি। আর ভিটামিন-এ ত্বকের জন্য ভালো। ভিটামিন-বি শরীরে শক্তি জোগায়, মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং মাংসপেশির গঠনে সহায়ক।

বিশেষ করে গর্ভধারণ কালে ডিমের কুসুম খাওয়া উপকারী। ডিমের কুসুমে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরে প্রয়োজনীয় হরমোনের উত্পাদন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে এবং শরীরে ভিটামিন ও মিনারেল ধারণ করার ক্ষমতা বাড়ায়। খাবারদাবারে মোট ক্যালরির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে কুসুমসহ পুরো ডিম খেলেও ওজন বাড়বে না; বরং তা শরীরের জন্য উপকারী।

সকালের নাস্তায় প্রতিদিন ডিম রাখা যেতে পারে। বিশেষ করে তেলে ভাজা ডিম না খেয়ে প্রতিদিন একটি করে সেদ্ধ ডিম খান সকালের নাস্তায়। তাড়াহুড়ার
কারণে যদি নাস্তা খাওয়ার সময় না থাকে তাহলেও একটি সেদ্ধ ডিম খেয়েই সেরে নিতে পারেন সকালের নাস্তা।তবে, অনেকে ডিম খাওয়াকে হৃদরোগের কারণ মনে করেন। এই রোগের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে পুষ্টিবিদ উলফি বলেন, স্থায়ী দুশ্চিন্তা-উদ্বেগ এবং উদ্ভিজ্জ তেল ও প্রক্রিয়াজাত শর্করাজাতীয় খাবারের সৃষ্ট প্রদাহ থেকেই হৃদরোগ হয়ে থাকে।