মেইন ম্যেনু

জেনে নিন দাঁতের যত্নে ডেন্টিস্টের পরামর্শ

সৌন্দর্যের অন্যতম অংশ হল হাসি। একটি সুন্দর হাসি সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় অনেকখানি। আর হাসি সুন্দর হবার অন্যতম শর্ত হল ঝকঝকে সাদা দাঁত। দাঁত, যা আমরা সবচেয়ে বেশি অবহেলা করে থাকি। দাঁতের স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যহানির পিছনে অনেকাংশে দায়ী আমরা নিজেরা। একটু যত্ন নিলেই কিন্তু দাঁত থাকবে সুস্থ ও সুন্দর। দাঁতের যত্ন প্রসঙ্গে সাথে কথা বলেছেন মুখ ও দন্ত রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফারহানা ইয়াসমিন চৌধুরী।

১। প্রতিদিন দুবার দাঁত ব্রাশ করবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই দুইবার দাঁত ব্রাশ করুন। ডা. ফারহানা ইয়াসমিন চৌধুরী বলেন “ দাঁত ব্রাশ করারও একটি নিয়ম আছে। প্রথমে ওপরের পাটির দাঁত নিচের দিকে এবং নিচের পাটির দাঁত ওপরের দিকে ব্রাশ করতে হবে। একইভাবে ভিতরের দাঁত ব্রাশ করতে হবে”।

২। দাঁত মাজার পর কিছুসময় মাড়ি মালিশ করা উচিত।

৩। হা করে ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করুন। এতে দাঁত ও মুখের রোগ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৪। বাচ্চাদের দাঁতের যত্ন আরও বেশি করে নিতে হবে। দুধ দাঁত পড়ে যাওয়ার পর যে দাঁত বের হয় তা যাতে অসমানভাবে না উঠে সেজন্য খেয়াল রাখতে হবে নতুন দাঁত বাচ্চারা যেন জিভ দিয়ে ঠেলা না দেয়।

৫। বিশেষ কিছু খাবার যেমন-পাউরুটি, বিস্কুট, কেক, টফি লজেন্স, আইসক্রিম ইত্যাদি খাওয়ার পর খুব ভালভাবে দাঁত পরিষ্কার করতে হবে।

৬। আঁশালো ও শক্ত খাদ্য যেমন-গাজর, পেঁয়ারা, আমড়া, আখ, আনারস, নাশপাতি, আপেল, নারকেল ইত্যাদি দাঁত ও মাঢ়ি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

৭। লেবু, আমলকী, কমলা, টমেটো ও বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অন্যান্য ভিটামিন থাকে। ভিটামিন সি দাঁতের ও মাড়ির জন্য উপকারী।

৮। দাঁত মাজার পর জিভও নিয়মিত পরিষ্কার করবেন। জিভের ময়লা থেকে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হতে পারে।

৯। বাচ্চাদের আঙুল চোষার অভ্যসা থাকলে তা দূর করতে হবে। কারণ পরবর্তীতে এই অভ্যাসের কারণে দাঁত উঁচু নিচু হয়ে থাকে।

১০। দাঁতের কোন প্রকার সমস্যাকে অবহেলা করবেন না। একটি ছোট সমস্যা থেকে পড়ে অনেক বড় সম্যসার সম্মুখীন হতে পারেন।

পরামর্শদাতা
ডা. ফারহানা ইয়াসমিন চৌধুরী
মুখ ও দন্ত রোগ বিশেষজ্ঞ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল