মেইন ম্যেনু

জেনে নিন মাইক্রোসফটের অসাধারণ হয়ে ওঠার ১৫ তথ্য!

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট এক দিনে গড়ে ওঠেনি। এ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠার পেছনে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বিল গেটস ও তার পার্টনারদের নিরবচ্ছিন্ন পরিশ্রম ও বাস্তববুদ্ধি। এ লেখায় রয়েছে এ বিষয়ে ১৫টি তথ্য। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

১. আপনি যদি ১৯৮৬ সালে মাইক্রোসফটের একটি শেয়ার কিনতেন ২১ ডলারে তাহলে তা বর্তমানে ১৪,৯৯০ ডলারে গিয়ে পৌঁছাতো। ৩০ বছরে এ বৃদ্ধির হার ৭১,২৮৩%।
২. ১৯৮৫ সালে মাইক্রোসফট প্রথম উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বাজারজাত করে। ১৯৮৭ সালে ৩১ বছর বয়সী বিল গেটস একজন বিলিয়নেয়ার হয়ে যান।
৩. বিল গেটসের সম্পদ যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে সে ধরনের বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে স্টিভ বলমারেরও। তিনি বর্তমানে এলএ ক্লিপার কিনেছেন, যার মূল্য ছিল দুই বিলিয়ন ডলার।
৪. বিল গেটসের বাড়ির নাম ‘জানাডু ২.০’। পুরো ৬৬ হাজার বর্গফুটের বাড়িটি তিনি নিজের মতো করে গড়ে তুলেছেন। এখানে জেনে নিন বিল গেটসের বাড়ি সম্পর্কে ১৯টি চমকপ্রদ তথ্য। এই বাড়িটির বর্তমান মূল্য হলো ১২৩ মিলিয়ন ডলার। কিং কাউন্টি পাবলিক অ্যাসেসোরস অফিস জানায়, এ বছর বাড়িটির মূল্য দাঁড়িয়েছে ১২৩.৫৪ মিলিয়ন ডলারে।

৫. মাইক্রোসফটের প্রথম লোগোটি তৈরি করতে বিল গেটস ও পল অ্যালেন মাত্র এক দিন সময় নিয়েছিলেন।
৬. উইন্ডোজ ৯৫ অপারেটিং সিস্টেমের সূচনা সঙ্গীত তৈরি করেছিলেন ব্রায়ান ইনো।
৭. উইন্ডোজ ৯৫-এ ছিল সঙ্গীতের সমারোহ। রোলিং স্টোনের ‘স্টার্ট মি আপ’ ছিল অপারেটিং সিস্টেমটির থিম সং।
৮. মাইক্রোসফটের অত্যন্ত জনপ্রিয় আরেকটি সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট এক্সেল। এটি বহু জটিল হিসাবকে সহজ করে দিয়েছে।
৯. মাইক্রোসফটের কর্মীরা তাদের কর্মক্ষেত্রে যোগদানের সময়টিকে উদযাপন করেন বাড়ি থেকে খাবার এনে সহকর্মীদের পরিবেশন করে।
১০. মাইক্রোসফটের রয়েছে ৪৮,৩১৩ পেটেন্ট। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ‘হলোলেন্স’ও।
১১. ২০০০ সালে বিল গেটস ও স্টিভ বলমার প্রায়ই মাইক্রোসফটের কর্মীদের মাঝে উৎসাহমূলক ভিডিওতে দেখা দিতেন।
১২. মাইক্রোসফট ও অ্যাপল বাস্তবে একত্রে কাজ করেছিল ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের জন্য। পরবর্তীতে মাইক্রোসফট নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমের ঘোষণা দিয়ে আলাদাভাবে কাজ শুরু করে।
১৩. ১৯৯৪ সালে মাইক্রোসফট ডেটালিংক ১৫০ ঘড়ি ডিজাইন করে। এ ঘড়িটি ছিল প্রথম স্মার্টওয়াচ, যা ১২ বছর অ্যাপলকে পেছনে ফেলেছিল।
১৪. ১৯৯৭ সালে মাইক্রোসফট অ্যাপলকে দেউলিয়া হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে ১৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে। স্টিভ জবস অ্যাপলের সিইও হওয়ার পর এ ঘোষণা দেন।
১৫. মাইক্রোসফটে বহু আধুনিক যন্ত্রপাতির প্রটোটাইপ তৈরি হয়েছিল। এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে প্রথম ট্যাবলেট, ইন্টারনেট সংযুক্ত টিভি ইত্যাদি।