মেইন ম্যেনু

জেনে নিন, যেভাবে স্বপ্নের দেশগুলোতে বসবাসের সুযোগ পাবেন

ঘুরতে কারনা ভাল লাগে বলুন। তাও যদি হয় অন্য কোন দেশ। এভাবে দেশ-দেশান্তরে ঘুরতে ঘুরতে কোন ভাললাগা দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের মনবাসনা জাগে আমাদের মধ্যে। হয়ত মুখ ফসকে মাঝে মধ্যে আমরা বলেই ফেলি, “ইস! যদি এই দেশে থাকতে পারতাম”।

তবে বিদেশে স্থায়ী বসবাস এখন কঠিন কোন বিষয় নয়। সঠিক পদ্ধতি এবং সঠিক কনসালটেন্টের মাধ্যমে আপনি আপনার কাঙ্খিত দেশে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন।

স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বর্তমানে পছন্দের তালিকায় শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মালয়েশিয়া। জীবনযাত্রার মান, সহনীয় জীবনযাপন ব্যয়, নিরাপত্তা, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যসহ নানা কারণে স্থায়ী আভাস হিসেবে মানুষের পছন্দের তালিকায় আছে এ দেশগুলো।

অভিবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলেন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালন্ট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজু।

তিনি জানান, স্বপ্নের বসতি খুঁজে পেতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের আগ্রহ এখন এ কয়েক দেশকে ঘিরে। তবে অভিবাসনের এ প্রক্রিয়ায় দালাদের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত হচ্ছেন অনেকে। এতে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন তারা।

অভিবাসনপ্রত্যাশী বাংলাদেশিদের কাছে অভিজ্ঞ মাইগ্রেশন পরামর্শক হিসেবে পরিচিত ড. রাজু আহমেদ বলেন, ‘বিজনেস এবং ইনভেস্টমেন্ট মাইগ্রেশন করে স্বল্প সময়ে সহজে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যন্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাওয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে আবেদন করতে নূন্যতম গ্রাজুয়েশন থাকতে হবে। তবে উচ্চ শিক্ষার সনদে পাওয়া যাবে বাড়তি সুবিধা।’

অন্যদিকে বিজনেস রেসিডেন্স ভিসায় ৫ বছরের মধ্যেই মালয়েশিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার অনুমতি মেলে। অস্ট্রেলিয়ায় সপরিবারে বিজনেস মাইগ্রেশনের ক্ষেত্রে বয়স ৫৫ এর নিচে থাকতে হবে। অন্যদিকে নিউজিল্যন্ডে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়সসীমা হতে হবে ৬৫ বছরের নিচে।

অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে বিজনেস মাইগ্রেশনের জন্য একক মালিকানা অথবা অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আবেদন করা যায়।

অস্ট্রেলিয়ায় বছরে ৪শ’র বেশি প্রফেশনাল স্কিলড মাইগ্রেশনের সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে অনার্স, মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন। আইটি, অ্যাকাউন্টিং, ফিনান্স, বিজনেস, ডেভেলপমেন্ট, অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, মার্কিটিং এবং সেলস সেক্টরে কাজ করার সুযোগ রয়েছে এসব আবেদনকারীর।

এদিকে ড. রাজু আহমেদ জনস্বার্থে assessment সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় তথ্যসেবা বিনামূল্যে দিয়ে থাকেন। আপনি ইচ্ছে করলেই তার সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশে অবস্থান কালে তার সাথে যোগাযোগের জন্য, ০১৯৬৬০৪১৫৫৫, ০১৯৬৬০৪১৮৮৮, ০১৯৭৭০১৪৭৭৮ নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন।

এ সংক্রান্ত যবিতীয় তথ্যসেবা www.wwbmc.com ঠিকানায় দেয়া আছে। আরো তথ্যের জন্য ই-মেইলে ([email protected] এবং [email protected]) যেগাযোগ করে জানা যাবে। এছাড়া ফেসবুকে (advocate raju ahmed advocate) স্কাইপিতে (rajuh ahmed phd) তে যোগাযোগ করে বিশেষজ্ঞ মতামত জানা যাবে। এছাড়া তিনি মালয়শিয়া অবস্থানরত সময় +60143300639 ফোন করে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যাবে।