মেইন ম্যেনু

জেনে নিন হলুদ দুধ পানের স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং তৈরির রেসিপি

রান্নার অন্যতম একটি মশলা হল হলুদ। হলুদকে মশলার রাণী বলা হয়। ভারতসহ এশিয়ার প্রায় দেশেই খাবারের সুন্দর রঙ ও স্বাদ বৃদ্ধিতে হলুদ ব্যবহার করা হয়। শুধু রান্নার স্বাদ বৃদ্ধিতে নয়, ওষুধ হিসেবেও এটি ব্যবহার হয়ে আসছে অনেক বছর ধরে। হলুদে বেশ কিছু পুষ্টি উপাদান যেমন প্রোটিন, খাদ্যআঁশ, নায়াসিন, ভিটামিন সি, ই, কে, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম এবং জিংক রয়েছে। যা দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। দুধের সাথে হলুদ মিশে এর স্বাস্থ্যগুণ বেড়ে যায় বহুগুণ।

১। ক্যান্সার প্রতিরোধক

হলুদ প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং এর কোষ ধ্বংস করে দেয়। এর একটি সক্রিয় উপাদান টিউমার সৃষ্টিকারী রেডিয়েশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। যা স্তন ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার টি-সেল লিকোমিয়া ইত্যাদি প্রতিরোধ করে।

২। অনিদ্রা দূর করতে

যাদের অনিদ্রার বা ঘুমের সমস্যা রয়েছে তারা কুসুম গরম গোল্ডেন মিল্ক অর্থাৎ হলুদ দুধ রাতে ঘুমাতে যাবার আগে খেলে ভালো উপকার পাবেন।

৩। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে

রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে হলুদ বেশ কার্যকর। এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রেখে টাইপ ২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে।

৪। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়

কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে তা বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। হলুদ দুধ কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক রেখে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

৫। অনিদ্রা দূর করতে

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম হলুদ দুধ পান করুন। হলুদ দুধ দেহে অ্যামিউ অ্যাসিড, ট্রিপটোফেন তৈরি করে যা ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে।

৬। ঠান্ডা কাশি দূর করতে

দীর্ঘমেয়াদী কাশি, সর্দি, ঠান্ডা দূর করতে হলুদ দুধ বেশ কার্যকর। এর অ্যান্টিসেপটিক উপাদান গলা ব্যথা, কাশি, কফ দূর করতে সাহায্য করে।

৭। ডায়রিয়ার চিকিৎসায়

হলদে দুধ বদ হজম এবং ডায়রিয়া কমাতে সাহায্য করে। তবে এই ক্ষেত্রে অবশ্যই লো-ফ্যাট দুধ ব্যবহার করতে হবে কারণ হাই ফ্যাট দুধ ডায়রিয়া বাড়িয়ে দেবে।

যেভাবে তৈরি করবেন হলুদ দুধ:

এক গ্লাস দুধে এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো দিয়ে ১০-১৫ মিনিট অল্প আঁচে জ্বাল দিন। আপনি চাইলে এর সাথে গোল মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে পারেন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল স্বাস্থ্যকর হলুদ দুধ।