মেইন ম্যেনু

জেনে নিন হৃদযন্ত্রের জন্য মাখন ক্ষতিকারক কিনা

পরিমিত মাত্রায় মাখন খেলে তা হৃদযন্ত্রের জন্যে ক্ষতিকর হবে না। এতে হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায় না বলে নতুন এক গবেষণায় বলা হয়।

আমেরিকার টাফটস ইউনিভার্সিটির গবেষক দল জানান, মাখন খাওয়ার সঙ্গে মৃত্যুঝুঁকির সম্পর্ক তেমনটা নেই। কার্ডিওভাসকুলার ডিজিসের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। সামান্য মাত্রায় ডায়াবেটিসের সঙ্গে যুক্ত এটি।

বিভিন্ন অনলাইন গবেষণা এবং মিডিক্যাল ডেটা বিশ্লেষণ করে গবেষকরা ৯টি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা আলদাভাবে বিবেচনা করেন। তারা ৬ লাখ ৩৬ হাজার ১৫১ জন মানুষের তথ্য যাচাই করেন। এ ছাড়া ৬ মিলিয়ন মানুষের ফলোআপ করেন। ফলোআপ চলাকালে ২৮ হাজার ২৭১ জনের মৃত্যু ঘটে। ৯ হাজার ৭৮৩ জনের কার্ডিওভাসকুলার ডিজিস ধরা পড়ে এবং ২৩ হাজার ৯৫৪ জনের টাইপ ২ ডায়াবেটিস দেখা দেয়।

এ গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা মেটা-অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে ঝুঁকি নির্ণয় করা হয়। ওই ৯টি গবেষণায় অংশগ্র্রহণকারীরা প্রতিদিন ১৪ গ্রাম করে মাখন খেয়েছিলেন। এই পরিমাণ মোটামুটি এক টেবিল চামচের সমান।
দেখা গেছে, এই মাখন খাওয়ার ফলে অংশগ্রহণকারীদের মৃত্যুঝুঁকি, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিস এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি খুব বেশি দেখা যায়নি।

গবেষক লরা পিম্পিন জানান, এমনকি যারা বেশি বেশি মাখন খেয়েছেন কিন্তু জীবনযাপন সুষ্ঠু নয়, তাদের মধ্যে স্বাস্থ্যগত ভারসাম্য এসেছে। এতে পরিষ্কার হয়ে ওঠে, চিনি এবং স্টার্চের চেয়ে মাখন বেশ স্বাস্থ্যকর খাবার বলে বিবেচিত হতে পারে। তবে সয়াবিন, ক্যানোলা, ফ্লাক্সসিড এবং এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ ওয়েলের চেয়ে মাখন খারাপ পছন্দ হয়ে ওঠে।

আরেক গবেষক দারিউশ মোজাফফারিয়ান জানান, সব মিলিয়ে এ গবেষণায় জানা গেছে, মাখনকে অস্বাস্থ্যকর খাবার বলে একেবারে ফেলে দেওয়া যায় না। বরং অনেক ক্ষেত্রে তা স্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত হতে পারে।