মেইন ম্যেনু

জেলা শিক্ষা অফিসারের আদেশ অমান্য করে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন

জেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ের আদেশ অমান্য করে তাড়াশ দোবিলা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে আদালতে মামলা থাকার পর ও বিষয়টি গোপন রেখে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গত ৫ আগষ্ট তাড়াশ উপজেলার দোবিলা গ্রামের আজমত আলী সেখের পুত্র আব্দুস সালাম, হাজী সরোয়ারদী পুত্র রেজাউল করীম, আবুল কাশেমের পুত্র আবুল কালাম, হারান সর্দারের পুত্র মোজাম্মেল হক সর্দার, ওহেদ আলীর পুত্র রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তাড়াশ উপজেলা সিনিয়নর সহকারী জজ আদালতে একটি (মামলা নং ১১৫/১৫) দায়ের করেন। অথচ মামলার বিষয়টি জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট গোপন রেখে ডিজি প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য আবেদন করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা শিক্ষা অফিসার লায়লা খানম ডিজি প্রতিনিধি হিসেবে বিএল স্কুলের প্রধান শিক্ষককে নিয়োগ প্রদান করে পত্র প্রেরন করেন। একই পত্রের অনুসরনীয় শর্তাবলীর ১০ নং কলামে উল্লেখ করা হয়েছে নিয়োগতব্য পদের বিপরীতে বা কমিটির বিরুদ্ধে মামলা বিচারাধীনসহ নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা থাকলে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহন করা যাবে না। এই আদেশের পর ও গত ১৪ আগষ্ট নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন এবং নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবী জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে ছাত্র অভিভাবক আব্দুস সালাম জানান নিয়োগ নিয়ে আদালতে মামলা হওয়ার পরও অবৈধভাবে নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। মামলার বিষয়টি জেলা শিক্ষা অফিসারকে লিখিত ভাবে অবগত করা হয়েছিলো। বিষয়টি গোপন রেখে নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। অথচ তার আদেশ কপিতে মামলা থাকলে নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্পূন্যৃ বেআইনি ভাবে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। অনিয়মের কারনে অনেক প্রর্থী নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

এ ব্যাপারে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দবির উদ্দিন জানান, জেলা শিক্ষা অফিসারের লিখিত নির্দেশ মোতাবেক নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।