মেইন ম্যেনু

জোট ছাড়ছে ইসলামী ঐক্যজোট, আজই সিদ্ধান্ত

অবশেষে বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে যাচ্ছে ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল ইসলামী ঐক্যজোট। এতদিন বিষয়টি আড়ালে-আবডালে আলোচনা হলেও আজই তার চূড়ান্তে ঘোষণা আসছে।বেলা ১১টায় রাজধানীতে ঐক্যজোটের সম্মেলন শুরু হয়েছে।দুপুরের আগেই এ ব্যাপারে জোট ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে জানা গেছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইসলামী ঐক্যজোটের একটি প্রভাবশালী সূত্র জানিয়েছে, সিদ্ধান্তটি সে দিকেই যাচ্ছে।তবে সম্মেলনের পর আজই এ ব্যাপারে একটি চূড়ান্ত ঘো্ষণা দেয়া হবে।

জানা গেছে জোটকে কেন্দ্র করে অনেক দিনের চাপা ক্ষোভের সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে ক্রমাগত চাপের কারণে দলটি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার রাতে দলটির মজলিসে শূরার জরুরি বৈঠকে জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দলটির কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিশ্চিত করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দলের ত্রি-বার্ষিক কনভেনশনে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে।

জানা গেছে, আজকের সম্মেলনে বিএনপির কাউকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। শরিক দলগুলোর ইফতার ও জাতীয় সম্মেলনসহ বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানে সাধারণত বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা অতিথি হিসেবে থাকেন। অথচ আজকের অনুষ্ঠানে তাদের দাওয়াতই করা হয়নি। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এ সম্মেলন থেকে তারা বিএনপি জোট ছাড়ার ঘোষণা দিতে পারে।বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত, বাকি কেবল ঘোষণা যা আজ হতে যাচ্ছে।

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিএনপির সমাবেশে ২০-দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর উপস্থিতি দেখা যায়নি। অনেক দিন পর রাজধানীতে বিএনপির বড় ধরনের এ কর্মসূচিতে শরিকদের কারও না থাকা নিয়ে গুঞ্জন উঠছে।

সমাবেশের পর কেউ কেউ এমন কথাও বলেছেন যে, জোটের অন্যতম দুই শরিক দল জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ঐক্যজোট থেকে আপাতত দূরত্ব বজায় রাখতে ৫ জানুয়ারির কর্মসূচি এককভাবে করার সিদ্ধান্ত নেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। এ কারণে শরিকদের অন্য কাউকেও সমাবেশে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

ইসলামী ঐক্যজোটের গতকালের বৈঠকের পর দলটির শীর্ষ এক নেতা বলেন, দলের প্রত্যেকের ইচ্ছা বিএনপি ছাড়ার। এটি ক্ষোভের কারণে হয়েছে। তবে বের হয়ে কী করা হবে, এ নিয়ে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি ছাড়ার ঘোষণা দেবেন চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী। ঘোষণা দেওয়ার দায়িত্ব পড়েছে তার উপরই।