মেইন ম্যেনু

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

জোর করে কাউকে গম দেওয়া যাবে না

ব্রাজিল থেকে আমদানি করা গম কাউকে জোর করে দেওয়া যাবে না। কেউ ওই গম ফেরত দিতে চাইলে কর্তৃপক্ষকে তা ফেরত নিতে হবে— এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার দুপুরে এ আদেশ দেন।

৫ জুলাই রিটটির ওপর শুনানি শেষে বুধবার আদেশের দিন ধার্য করা হয়।

২৯ জুন ব্রাজিল থেকে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার নিম্নমানের গম আমদানিতে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন পাভেল মিয়া নামে এক আইনজীবী। রিট আবেদনে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দিয়ে তদন্তের নির্দেশনা চান।

রিট আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। কিন্তু খাদ্যের অনুপযোগী গম সরবরাহ করা সংবিধান পরিপন্থী। পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিল থেকে আমদানি করা ৪০০ কোটি টাকার দুই লাখ টন ‘নষ্ট ও পচা গম’ নিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তর ‘লুকোচুরি করছে’। পচা ও নষ্ট গম আমদানির অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। বরং সেগুলো বিভিন্ন কর্মসূচিতে এবং সরকারি সংস্থায় বিতরণ করা হচ্ছে।

ওই গম মানুষের খাবার উপযোগী কি না, তা দেশের মাননিয়ন্ত্রণ সংস্থা (বিএসটিআই) ও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) মাধ্যমে পরীক্ষা করাতে আবেদনকারী আদালতের কাছে নির্দেশনা চেয়েছেন। এ ছাড়া নিম্নমানের গম আমদানি ও সরবরাহ করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে আদালতের কাছে রুল চাওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে।