মেইন ম্যেনু

জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরির মুখে মানুষের দুঃসাহসিক অভিযান ! (ভিডিও)

দোযখের আগুনের উত্তাপ কেমন হবে সে সম্পর্কে আপনার কোন আইডিয়া আছে ? পৃথিবীর আগুনের চেয়ে হাজার গুন উত্তপ্ত। তবে পৃথিবীর অভ্যন্তরেও এমন উত্তাপ আছে যা মানুষ হয়ত কল্পনাও করে না। আগ্নেয়গিরির মাধ্যমে পৃথিবী অভ্যন্তরের সেই আগুন মাঝে মাঝে ভূপৃষ্ঠে আসে। এই আগুন পাথরকে গলিয়ে একেবারে পানির মত করে দিতে পারে।

আগ্লেয়গিরির সামনে দাঁড়িয়ে টগবগ করে ফুটতে থাকা জ্বলন্ত লাভা দেখার দুঃসাহসিক কাজ করলেন সাহসী ও সৌভাগ্যবান মানুষ জর্জ কৌরোনিস। জর্জ কৌরোনিস ও তার বন্ধু সাম কসম্যান হলেন বিখ্যাত এক্সপ্লোরার। প্রকৃতিকে চ্যালেঞ্জ জানানোই তাদের নেশা।

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের কাছে ভানুয়াটু দ্বীপমালায় রয়েছে মারাম জ্বালামুখ। এটি একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। তার মুখে টগবগ করে ফুটছে জ্বলন্ত লাভা। কয়েকশ’ ফুট ছিটকে আছাড় খাচ্ছে লাভার স্রোত।

এইরকম এক ভয়ঙ্কর, বিপদসংকুল পাহাড় খাতের সামনে ঈশ্বরীয় সৃষ্টিকে সম্প্রতি উপলব্ধি করলেন জর্জ কৌরোনিস। কয়েক ঘণ্টা তিনি স্বয়ং মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং ভিডিওর মাধ্যমে তা দেখালেন পুরো বিশ্বকেও।

জর্জ জানান, অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল মারাম জ্বালামুখের সামনে দাঁড়িয়ে থাকব। আমার জীবনে সেরা দুঃসাহসিক অভিযান এটি । বন্ধু কসম্যান ও দুই গাইডকে সঙ্গে নিয়ে ভানুয়াটু দ্বীপমালায় ৪ দিন কাটিয়ে ১২০০ ফুট অবতরণ করে জর্জ কৌরোনিস পৌঁছান তার স্বপ্নের জায়গায়।

1 2 3 5

আগ্নেয়গিরির এই উত্তাপের কাছে যাওয়া খুবই বিপদজনক। তবুও মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যায় গবেষনা ও এ্যাডভেঞ্চারের নেশায়। তেমনই কিছু আগ্নেয়গিরি ও মানুষের দুঃসাহসিক অভিযান গুলো দেখুন নীচের ভিডিওগুলিতে