মেইন ম্যেনু

জ্বিন আটকে রেখেছিলো যুবকের লাশ!

বন্ধুদের সঙ্গে করতোয়া নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ তৌকির আহম্মেদের (১৯) লাশ ২৪ ঘণ্টা ভেসে উঠেছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ডুবরীরা লাশটি উদ্ধার করে। তবে এলাকাবাসীর দাবি, জ্বীন অথবা দৈত্য তৌকিরকে পানির নীচে আটকে রেখেছিল।

রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ নদীতে লাশটি ভেসে ওঠলে স্থানীয়দের সহায়তায় ডুবুরীরা সেটি উদ্ধার করে।

এলাকাবাসী জানান, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তৌকির তার তিন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে শহরের মালতীনগর বালা বাবার মাজারের কাছে করতোয়া নদীতে গোসল করতে যান। একপর্যায়ে চার বন্ধু মিলে নদী পার হওয়ার সময় পানিতে ডুবে যান তৌকির। প্রথমে স্থানীয় লোকজন এবং ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা তৌকিরকে উদ্ধারের চেষ্টা চালান। তারা ব্যর্থ হলে সন্ধ্যায় রংপুর থেকে চার জন ডুবুরী এনে একটানা কয়েক ঘণ্টা নদীতে তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানোর পরও নিখোঁজ তৌকিরের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় রাত সাড়ে ১১টায় অনুসন্ধান স্থগিত করা হয়।

বিরতির পর রোববার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে আবারও নদীতে নামে ডুবুরীরা। তাদের সঙ্গে এলাকার লোকজনও নদীতে নেমে তৌকিরের লাশের সন্ধান করতে থাকে। বিকেল ৩টার পর ডুবে যাওয়া স্থান থেকে লাশ উদ্ধারের আশা ছেড়ে দিয়ে ৫-৭ কিলোমিটার ভাটিতে তল্লাশি শুরু করা হয়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ নদীতে লাশ ভেসে ওঠে। এ সময় শত শত মানুষ নদীর তীরে ভীড় জমায়।

উপস্থিত লোকজনের দাবি, জ্বীন ও অথবা দৈত্য তৌকিরকে পানির নীচে আটকে রেখেছিল। লাশ উদ্ধারের পর নিহতের নাক মুখ দিয়ে রক্ত ঝরতে দেখে এলাকায় এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়ে। নদীর তীরে একটি মাজার থাকায় এমন গুজব অনেকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে।

বনানী পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোন্নাফ জানান, লাশ উদ্ধারের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।