মেইন ম্যেনু

জয়নগরে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় নাটক সাজিয়ে পুলিশকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এক ব্যবসায়ীর পাওনাকৃত টাকা বেমালুম গায়েব করার উদ্দেশ্যে দেনাদারের ভিন্ন কৌশলে এলাকাবাসী হতবাক হয়েছে। এমনকি কোন পাওনাদার আর যেন পুলিশ দিয়ে টাকা আদায় না করতে পারে তার কুট কৌশল মাথায় নিয়ে পুলিশকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার সরসকাটি বাজারে হোটেল ব্যবসায়ী ওফাপুর গ্রামের চায়ের দোকানদার মনির উদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে গোলাম রসুল তার স্ত্রী খালেদা খাতুনের নামে আশা এনজিও থেকে ৩০ হাজার টাকা, ব্র্যাক থেকে ২৫ হাজার টাকা, আরআরএফ থেকে ২০ হাজার টাকা, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ২০ হাজার টাকা ও তার মা জুবাইদা খাতুনের নামে ১৫ হাজার টাকা ঋণ তুলে নেয়।

এ ছাড়া ওই গোলাম রসুল চকজয়নগর গ্রামের শিল্পী মনিরুল ইসলামের নিকট থেকে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে মেম্বর প্রার্থী হিসেবে দোয়া চেয়ে ডিজিটাল পোষ্টার বাবদ ৩ হাজারটাকাসহ এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকা নেয়।

ওই সব টাকার মালিকরা তাদের পাওনা টাকা চাইলে ব্যবসায়ী গোলাম রসুল টাকা না দেওয়ার প্রতারণা ও তাদের ঝামেলায় ফেলানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে। মনিরুল তার পাওনা টাকা ওই গোলাম রসুলের কাছ থেকে আদায় করতে ব্যর্থ হয়ে নিরুপায় হয়ে গত ১৭ অক্টোবর কলারোয়া থানায় একটি অভিযোগ করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে সরসকাটি পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই লিটন বিশ্বাস গত ১৮ অক্টোবর রাত আনুঃ ৭টার পর পাওনাদার এবং ব্যবসায়ী গোলাম রসুলকে ফাঁড়িতে ডেকে নেয়।

গোলাম রসুল এসময় মনিরুলের টাকার কথা স্বীকার করলে একপর্যায় গোলাম রসুলের দোকান মালিক সরসকাটি বাজারের তেল ব্যবসায়ী সোহাগ ওই টাকার জামিন হয়। পরবর্তীতে কোন পাওনাদার আর যেন পুলিশ দিয়ে টাকা আদায় না করতে পারে তার কুট কৌশল মাথায় নিয়ে পুলিশকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ফন্দি আটে সুচতুর গোলাম রসুল।

সে মোতাবেক গত মঙ্গলবার গোলাম রসুল মিথ্যা কল্প কাহিনী সাজিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন করায় এলাকাবাসী রীতিমত হতবাক হয়েছে।

বুধবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যের সাথে প্রকৃত ঘটনার কোন মিল নেই। ঘটনাটি মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রনোদিত।

আর এধরনের ঘটনা সাজাতে একশ্রেণির মতলববাজ নেতা নামধারী ব্যক্তিরা তাকে ইন্ধন জুগিয়েছে বলে জানান স্থানীয় অনেকেই। যাদের মুখোশ উন্মোচনের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।