মেইন ম্যেনু

জয়ের মা হতে পেরে আমি ধন্য : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জয়ের কাছে থেকেই আমি কম্পিউটার চালনার শিক্ষা লাভ করেছি। এজন্য সে আমার শিক্ষক। শুধু তাই নয়, তথ্য-প্রযুক্তির সামগ্রিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দরিদ্র মেহনতি মানুষ থেকে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে স্বয়ম্ভরতা অর্জনের যে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে, তার মন্ত্র আসছে জয়ের কাছে থেকে। এসব কারণে আমি সব সময় নিজেকে ধন্য এক মা মনে করি। এমন সন্তানের মা হতে পেরে আমি গৌরবান্বিতবোধ করছি।

সোমবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে ইউএন প্লাজা হোটেলের মিলনায়তনে আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন-এ বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নে স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অব গভর্নেন্স অ্যান্ড কম্পিটিটিভনেস, প্ল্যান ট্রিফিনিও, গ্লোবাল ফ্যাশন ফর ডেভেলপমেন্ট এবং কানেটিকাট স্টেটের নিউ হেভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস সম্মিলিতভাবে এই পুরস্কার প্রদান করে। বিপুল করতালির মধ্যে সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছে এটি হস্তান্তর করেন প্রখ্যাত অভিনেতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক রবার্ট ডেভি।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) গৃহীত হওয়ার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এ পুরস্কার জয়ের হাতে তুলে দেবার আগে সম্মানীত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়ের মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভূমিকার স্বীকৃতি প্রকারান্তরে বাংলাদেশের মানুষের অদম্য কর্মস্পৃহার প্রতিই সম্মান বলে মনে করছি। জয়কে এ পুরস্কারের জন্যে বেছে নিয়ে আয়োজকরা সঠিক কাজটিই করেছেন।

পুরস্কার গ্রহণের পর আবেগাপ্লুত জয় বলেন, এ পুরস্কার পেয়ে আমিও নিজেকে গৌরবান্বিত ও সম্মানিতবোধ করছি। তবে এ পুরস্কারের কৃতিত্ব একইসাথে বাংলাদেশ সরকারের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও। তারা সকলে একযোগে কাজ করছেন ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লীউন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেনসহ রাজনীতিক, অন্যান্য দেশের প্রতিনিধি, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং বেসরকারি খাত ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। পুরস্কার গ্রহণের পর উপস্থিত সকলে অভিনন্দন জানান জয়কে।