মেইন ম্যেনু

ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যায় জঙ্গি আরিফের মৃত্যুদণ্ড বহাল

ঝালকাঠিতে বিচারক জগন্নাথ পাঁড়ে ও সোহেল আহম্মেদকে হত্যা মামলায় জেএমবি আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের রিভিউ আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে হত্যার ওই মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।

রোববার সকাল ৯টা ২৮ মিনিটে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

জঙ্গি আরিফের রিভিউ আবেদন খারিজের ফলে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে আইনগত কোনো বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আদালতে আরিফের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এন কে সাহা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

একই মামলায় নয় বছর আগে জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাই, শায়খের ভাই আতাউর রহমান সানি, জামাতা আবদুল আউয়াল, ইফতেখার হোসেন মামুন, খালেদ সাইফুল্লাহকে (ফারুক) ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল।

২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর ঝালকাঠিতে জেলার সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় বোমা হামলাকারী ইফতেখার হোসেন মামুন, জেলা জজ আদালতের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আব্দুল মান্নান ও দুধ বিক্রেতা বাদশা মিয়া আহত হন।

২০০৬ সালের ২৯ মে এই হত্যা মামলার রায়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহম্মেদ জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাই, শায়খের ভাই আতাউর রহমান সানি, জামাতা আবদুল আউয়াল, ইফতেখার হোসেন মামুন, খালেদ সাইফুল্লাহ (ফারুক) ও আসাদুল ইসলাম আরিফকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

ছয় জঙ্গির ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে ২০০৬ সালের ৩১ আগস্ট তাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন উচ্চ আদালত। ওই বছরের ২৮ নভেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ হাইকোর্টের মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ছয় জঙ্গির জেল আপিল খারিজ করে দেন।

২০০৭ সালের ৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি ছয় জঙ্গির প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দিলে তাদের ফাঁসি কার্যকর করার উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। একই মাসেই ২৯ তারিখ রাতে আসামিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

একই মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আরেক জঙ্গি আসাদুল ইসলাম আরিফ ২০০৭ সালের ১০ জুলাই ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার হন। এরপর আপিল করে আরিফ।