মেইন ম্যেনু

‘ঝেঁটিয়ে ভাইরাস বিদায় করব’

অভ্যুত্থানের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে ঝেঁটিয়ে ‘ভাইরাস’ বিদায় করার অঙ্গীকার করেছেন। এই ভাইরাসের কারণে তার দেশে সেনা বিদ্রোহ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

নতুন যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মধ্যে এরদোগানের শীর্ষস্থানীয় সামরিক উপদেষ্টা কর্নেল আলী ইয়াজাকি রয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, অভ্যুত্থানচেষ্টায় অংশ নিয়েছেন শতাধিক সামরিক কর্মকর্তা।

এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯০-এ দাঁড়িয়েছে।

এরদোগান ইস্তাম্বুলে নিজের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্র ও তার কিশোর পুত্রের দাফন অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় বলেন, ‘সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে আমরা ঝেঁটিয়ে ভাইরাস বিদায় করার কাজ চালিয়ে যাব। দুর্ভাগ্যবশত, রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এই ভাইরাস ঢুকে গেছে। তার বিস্তারও ঘটছে ঠিক ক্যান্সারের মতো।’

এই বক্তৃতা দেওয়ার সময় এরদোগান কান্নায় ভেঙে পড়েন। ‘সংহতি ও ঐক্যবদ্ধভাবে’ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট তার বক্তৃতায় অভ্যুত্থান ষড়যন্ত্রের সঙ্গে ফেতুল্লাহ গুলেন জড়িত রয়েছেন বলে আবারও অভিযোগ করেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এনে তার বিচারের কথাও বলেন তিনি।
অবশ্য গুলেন আগেই অভ্যুত্থানচেষ্টার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এর আগেও তুরস্কে তিনবার সামরিক অভ্যুত্থান ও দুবার সামরিক হস্তক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এবার অভ্যুত্থানচেষ্টার ঘটনায় এ পর্যন্ত ছয় হাজারেরও বেশি লোককে আটক করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

সমালোচকরা বলছেন, সাংবিধানিক পরিবর্তনের জন্য এরদোগান এই ঘটনাটিকে কাজে লাগাতে পারেন। চেষ্টা করতে পারেন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধির। আঙ্কারা ও ইস্তাম্বুলবাসী এবং সারা দেশের মানুষ এই অভ্যুত্থানচেষ্টার সময় এরদোগানের সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।