মেইন ম্যেনু

টকদইয়ের ১০ উপকার

অনেকে দুধ খেতে চান না, অথচ দই বেশ মজা করেই খান। বিশেষ করে মিষ্টি দই বেশি জনপ্রিয়, কিন্তু টকদই? স্বাদের দিক থেকে একটু কম হলেও টকদই আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেশ কার্যকরী। যে কোনো অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকসের পরিবর্তে সকালে নাস্তার পর এবং বিকেলের নাস্তায় টকদই খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। দেহের অনেক রোগ প্রতিরোধে দকদই অনন্য। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক টকদই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতোটা উপকারী।

– টকদইয়ে থাকা এনজাইম হজমে সহায়তা করে এবং বদহজম প্রতিরোধ করে।

– টকদইয়ে ফ্যাট কম থাকে, এতে করে রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল ‘এলডিএল’ কমাতে সাহায্য করে।

– রক্ত পরিশোধনের অন্যতম সহায়ক টকদই।

– টকদইয়ের ল্যাকটিক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

– নিয়মিত টকদই খেলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

– টকদইয়ের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ আমাদের হাঁড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে। হাড় ও দাঁতের সমস্যা জনিত রোগ প্রতিরোধেও টকদই সাহায্য করে।

– টকদই দেহে ক্ষতিকর টক্সিন জমতে বাধা দেয়। অন্ত্রনালী পরিষ্কার রেখে শরীরকে সুস্থ রাখে ও অল্প বয়সে বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরে টক্সিন কমার কারণে ত্বকের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়।

– টকদইয়ের আমিষ দুধের চেয়ে সহজে ও কম সময়ে হজম হয়ে যায়। এর যাদের দুধের হজমে সমস্যা অর্থাৎ যাদের ল্যাক্টোজেন ইন্টলারেন্সের সমস্যা রয়েছে তারা দুধের পরিবর্তে অনায়েসে টকদই খেতে পারেন।

– নিয়মিত টকদই খেলে ডায়বেটিস ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় খুব সহজেই।

– যারা ওজন কমাতে চান তারা নিজেদের ডায়েট প্ল্যানে যোগ করে নিতে পারেন কম ফ্যাটযুক্ত এই টকদই। দ্রুত ওজন কমাতে এর জুড়ি নেই।