মেইন ম্যেনু

টাকার বিনিময়ে নিজেকে বিক্রির কথা ‘স্বীকার’ করেছেন যেসব অভিনেত্রীরা

পেইড সেক্স। টাকার বিনিময়ে যৌনতা। টাকা রোজগারের তাগিদ। আর সেই তাগিদেই এসকর্ট সার্ভিসের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করা। কিছুদিন আগেই বিস্ফোরক দাবি করে এক বলি অভিনেত্রীর স্বীকারোক্তি ছিল, কেরিয়ারে একসময় তিনি পেইড সেক্সে অভ্যস্ত ছিলেন। শুধু তিনিই নন। ভারতীয় অভিনয়ের জগতে এরকম আরও কয়েকজন রয়েছেন, যাঁরা টাকার বিনিময়ে যৌনতায় অভ্যস্ত ছিলেন একসময়।

প্রথমজন শার্লিন চোপড়া
কেরিয়ারের শুরুর দিকে যখন মডেলিং করছেন শার্লিন, তখন টাকা নিয়ে ক্লায়েন্টদের সঙ্গে সময় কাটাতেন তিনি। তাঁর দাবি, সেইসব সম্পর্কে কোনও মনের টান কিছু ছিল না। তাই আজ আর তাঁদের কাউকে তাঁর মনে নেই। তবে জীবনে কেয়ারিং কেউ না থাকায়, পুরুষসঙ্গ ভালোই উপভোগ করতেন শার্লিন। একইসঙ্গে এভাবেই স্ট্রাগলিং পিরিয়ডে নিজের আর্থিক নিরাপত্তা জোগাড় করতেন তিনি।

কন্নড় অভিনেত্রী যমুনা
অনেকেই বিশ্বাস করতে পারেননি ২০১১-তে দেহব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে যখন তাঁকে গ্রেফতার করে বেঙ্গালুরু পুলিস।

সায়রা বানু
ইনিও একজন দক্ষিণী অভিনেত্রী। ২০১০-এ হায়দরাবাদে পুলিসি অফিযানের সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, দেহব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সায়রা।

তেলেগু অভিনেত্রী কিন্নেড়া
বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি নাম লেখান দেহ ব্যবসাতেও। একটি চ্যানেলের স্টিং অপারেশনে ধরা পড়ে তিনি সেক্স ব্রোকার হিসেবেও কাজ করতেন।

ভূবনেশ্বরী
এই বি গ্রেড দক্ষিণী অভিনেত্রীকে চেন্নাইতে সেক্স রাকেট চালানোর অভিযোগে বহুবার গ্রেফতার করে পুলিস।

আইশ আনসারি
তামিল অভিনেত্রী ও আইটেম গার্লকে ২০১১-তে যোধপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, ভারতের প্রায় সব বড় শহরে তাঁর ক্লায়েন্টরা ছিল। পুলিসের চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য তিনি নানা রঙের পটচুলা ব্যবহার করতেন।