মেইন ম্যেনু

টাকার লেজ ধরে অপরাধী খুঁজছে সিআইডি

রিজার্ভের টাকা চুরি হওয়ার পর তা কোথায় এবং কার কাছে গেছে, সেটা থেকেই দেশি বা বিদেশি অপরাধীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে এক মিটিং শেষে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ আলম তদন্তের বিষয়ে এ কথা জানান।

শাহ আলম বলেন, ‘আমাদের আলোচনা বিশেষ করে আইটি ফরেনসিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে এগুচ্ছে। যার মাধ্যমে ঘটনা ঘটেছে তাকে আমরা বের করার চেষ্টা করছি। টাকাকে ট্র্যাক করে মূল হোতাকে বের করার চেষ্টা করছি। অপরাধীদের দেশি বা বিদেশি লিংকগুলো কীভাবে চিহ্নিত করা যায় সে বিষয়ে কাজ করছি।’

তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তদন্তের বিষয়ে কিছু জানানোর মতো সময় একেবারেই হয়নি। তবে টাকার লিংক ধরেই দেশি বা বিদেশি কারা জড়িত সেটা বের করার জন্য কাজ করছি।’

এর আগে সিআইডির ডিআইজি সাইফুল আলমের নেতৃত্বে একটি দল গভর্নরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। এ সম্পর্কে সাইফুল আলম বলেন, ‘আমরা কি কাজ করছি এবং ভবিষ্যতে কোন জায়গায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কি ধরনের সহযোগিতা দরকার সে বিষয়গুলো নিয়েই মূলত কথা বলেছি।’

এদিকে রিজার্ভের টাকা চুরির বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের গঠিত সাবেক গভর্নর ফরাস উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন তদন্ত দল প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈঠক করেছেন। এ বৈঠকে গভর্নর ফজলে কবির, সিআইডির ডিআইজি সাইফুল আলম ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, ‘সরকার যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, সেটির চেয়ারম্যান ফরাস উদ্দিন স্যার তার টিম নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে আসেন। আমরা তাকে টেকনিক্যাল সব ধরনের সাপোর্ট দিচ্ছি। সঙ্গে কমিটির সদস্যদের বসার জায়গার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি এসেই আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে তদন্ত দলটির প্রথম বৈঠক। এখান থেকেই তিনি তদন্ত শুরু করেছেন বলা যায়।’

বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশের সময় ফরাসউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আপনারা সহযোগিতা করুন। সহযোগিতা করলে কাজ ভালো হবে। ৩০ দিন সময় নিয়েছি, এর মধ্যে তদন্তকাজ শেষ করতে হবে। আমাদের কাজটা ভালোভাবে করতে দিন।’