মেইন ম্যেনু

টাঙ্গাইলে সড়কে ঝরল সাত প্রাণ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন সাতজন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন।

শনিবার সকালে মির্জাপুরের ইছাইল নামক স্থানে যাত্রীবাহী বাস ও ইটভর্তি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ পাঁচজন এবং কালিহাতী উপজেলার আনালিয়া বাড়ি নামক স্থানে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে ছালমা আক্তার (২৫) নামে একজনের পরিচয় জানা গেছে। আহতদের উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার সকাল সোয়া সাতটার দিকে মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার ইচাইল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনার পর যানচলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে হাইওয়ে ও থানা পুলিশ গিয়ে দুর্ঘটনা কবলিত বাস-ট্রাক রেকারের সাহায্যে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নিলে সকাল আটটার দিকে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

পুলিশ ও আহত যাত্রীরা জানান, কুড়িগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস ও টাঙ্গাইলগামী ইটভর্তি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে এক শিশু ও নারী নিহত হয়। আহত হয় কমপক্ষে ২৫ যাত্রী। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা ও হাইওয়ে পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালে এক নারী ও এক পুরুষ নিহত হয়। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুলাল চন্দ্র পোদ্দার জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যান মহাসড়ক থেকে দ্রুত সরিয়ে নেয়ায় যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে তিনি জানান।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. মাহাবুব হোসেন দুর্ঘটনায় নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে পৌঁছানো বাবদ ২০ হাজার ও আহতদের চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার টাকা করে তাৎক্ষণিকভাবে অনুদান ঘোষণা করেছেন বলে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম আহমেদ জানিয়েছেন।

এদিকে বঙ্গবন্ধু সেতু সংযোগ সড়কের কালিহাতী উপজেলার আনালিয়া বাড়ি নামক স্থানে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের চালকসহ দুইজন নিহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।



« (পূর্বের সংবাদ)