মেইন ম্যেনু

টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে ভোলার প্রায় ২০ গ্রাম প্লাবিত

গত কয়েকদিনে দিনের টানা ভারি বর্ষণ ও জোয়ারের পানি নদনদীর বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ভোলার ছয় উপজেলার ২০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। ভারি বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে ছয় উপজেলার ২০ টি গ্রাম ২ থেকে ৩ ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে।

জানা গেছে, টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানির কারণে ভোলার সদর উপজেলার রামদাসপুর, নাছির মাঝি, মাঝের চর, দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া, নেয়ামতপুর, চৌমাথা, বোরানউদ্দিন উপজেলার বাটা পাড়া, কাজির হাট, চর জহির উদ্দিন, লালমোহন উপজেলার কচুয়াখালীর চর, লঞ্চঘাট এলাকা , চরফ্যাশন উপজেলার চর কুকরী-মুকরী, ঢালচর, চর পাতালিয়া, মনপুরা উপজেলার কলাতলির চর, ঢালচর, সোনার চর, চর নিজামসহ ২০টি গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়ে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ চড়ম দুর্ভোগে পড়েছে।

ভোলার সদরের রামদাসপুর এলাকার পানিবন্দি কুলসুম বেগম, সেতারা, জান্নাত জানান, কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টির পানি আর জোয়ারের পানির কারণে আমাগো ঘর বাড়ি, ফসলি জমি তলাইয়া গেলে। এইবার আমাগো না খাইয়া থাকতে হইবো।

ভোলা সদরের ধনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এমদালুল রহমান কবির জানান, বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে মানুষের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, পুকুর ও ঘেরের মাছ তলিয়ে যাওয়ায় চড়ম দুর্ভোগে পড়েছে অনেকে।

দৌলতখান উপজেলার নেয়ামতপুর এলাকার পানিবন্দি ইসমাইল, খোকন মিয়া, আব্বাস মিয়া জানান, জোয়ারের পানির কারণে আমাগো ঘরবাড়ি, জমি ফসল, পুকুরের ও ঘেড়ের মাছ ভাইসা গেছে। আমাগো অনেক টাকা লোকসান গুনতে হইবো। অনেক দাড়-দেনা করছি এইবার না খাইয়া থাকতে হইবো।

অপরদিকে জোয়ারের চাপে উত্তাল মেঘনা গ্রাস করছে জনপদ, ভাঙছে রাস্তা, ফসলি জমি, দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাওবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হেকীম জানান, টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে ওই সব এলাকায় ২ থেকে ৩ ফুট তলিয়ে গেছে। সোমবার মেঘনার পানি বিপদসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হয়েছে। তবে ভাটা পরলে কোথাও পানি নেমে যায়।