মেইন ম্যেনু

টাম্পাকোতে ২৫ টন রাসায়নিক নিয়ে শঙ্কা

আগুনে বিধ্বস্ত টঙ্গীর টাম্পাকো ফয়েলস কারখানার ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আনুমানিক ২৫ টন দাহ্য পদার্থ রয়েছে। ‘ইথাইল অ্যাসিটেট’ নামের এই রাসায়নিক পদার্থ অতি দাহ্য হওয়ায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এসব ঝুঁকি মাথায় নিয়েই উদ্ধার অভিযান নতুন করে শুরু হয়েছে। আজ সকাল থেকে সেনাবাহিনী শতাধিক সদস্য উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন।

টাম্পাকো কারখানার ভেতরে এই দাহ্য পদার্থ থাকার কথা স্বীকার করেছেন সংস্থাটির পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান । আজ ঘটনাস্থলে তিনি এক ব্রিফিংয়ে বলেন, অতি দাহ্য পদার্থ থাকায় উদ্ধার অভিযানে ঝুঁকি রয়েছে- বিষয়টি মাথায় নিয়েই সেনাবাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।

তিনি বলেন, সকাল থেকে সেনাবাহিনীর শতাধিক সদস্য একটি মেডিকেল টিম নিয়ে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। তবে কাজ কতদিন চলবে তা নিদিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না এই মুহূর্তে। যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে যাতে এ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা যায়। আগামীকাল মঙ্গলবার ঈদের দিনও স্বল্প পরিসরে আমাদের কাজ অব্যাহত থাকবে।

গতকাল রবিবার সেনাবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে করে রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

পরে আজ সোমবার সকালে সেনা সদস্যরা কাজে যোগদেন। লে. কর্নেল মোহাম্মদ রাশেদুল হাসানের বরাত দিয়ে আন্তঃবাহিনীর গণসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিধ্বস্ত বিল্ডিংয়ে কাজ করার জন্য সেনাবাহিনীর ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে প্রযোজনীয় ইঞ্জিনিয়ারিং প্যান যেমন এক্সাভেটার, লোডার ড্রাম্পার, ক্রেন ইত্যাদি এবং ডিজাষ্টার ম্যানেজম্যান্টের অন্যান্য সরঞ্জামাদিসহ উদ্ধার কারে নিয়োজিত রয়েছে। সকাল থেকে ৪টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মৃতদেহের সংখ্যা হয়েছে ৩৩।

রাশেদুল হাসান বলেন, ঘটনাস্থলটি পূর্ব-পশ্চিমে আনুমানিক ৬’শ ফিট, উত্তর দক্ষিণে ৩’শ ফিট। যার মধ্যে ৪টি বড় বড় বিল্ডিং রয়েছে। এর মধ্যে ৩টি বিল্ডিং ইতোমধ্যে ভেঙ্গে পড়েছে। একটি ঝুকির্পর্ণ অবস্থায় দাড়িয়ে আছে। যে স্থান গুলোতে হতাহতের পরিমাণ বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে সেই স্থানের দিকেই কাজ শুরু হয়েছে।