মেইন ম্যেনু

টিউলিপের ওপর ‘চড়াও’ ব্রিটিশ ডেপুটি স্পিকার

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিতর্ক চলার সময় বিরতি নেয়ার কারণে ডেপুটি স্পিকার ইলিয়েনর লাইংয়ের তোপের মুখে পড়েছিলেন দেশটির লেবার পার্টির সংসদ সদস্য বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত টিউলিপ সিদ্দিক।

উল্লেখ্য, বর্তমানে সাত মাসের সন্তানসম্ভবা টিউলিপ সিদ্দিক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানার একমাত্র কন্যা। যুক্তরাজ্য নিউ হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড কিলবার্ন এলাকা থেকে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। এর পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের ছায়া মন্ত্রিসভারও সদস্য তিনি।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, নিজে নারী হয়েও ডেপুটি স্পিকার পার্লামেন্ট সদস্য টিউলিপকে বলেন, ‘আমাকে গর্ভবতী হওয়ার অজুহাত দেখাবেন না।’ টিউলিপকে সতর্ক করে দিয়ে ইলিয়েনর আরো বলেন, ‘আপনি সমগ্র নারী জাতিকে নিচে নামিয়ে এনেছেন।’

৭ মাসের সন্তানসম্ভবা টিউলিপের প্রতি স্পিকারের এমন রুঢ় আচরণে পার্লামন্টে উপস্থিত অনেক এমপিই বিরক্ত হন। একজন নারী স্পিকারের এ ধরনের আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

প্রথমবারের মতো মা হতে যাওয়া ৩৩ বছর বয়সী টিউলিপ দুই ঘণ্টার বেশি সময় অধিবেশনে অংশ নেয়ার পর কিছু খাওয়ার জন্য বিরতি নেন তিনি। ৪৫ মিনিট পর বিরতি থেকে ফিরে এলে ডেপুটি স্পিকার টিউলিপকে উদ্দেশ করে এসব কথা বলেন।

যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্সের ‘রীতি’ ও ‘বিধি’ অনুযায়ী, কেউ বক্তব্য দেওয়ার পর তাকে আরও তিনজনের বক্তব্য শুনতে হয়। এক প্রত্যক্ষদর্শীর উদ্ধৃতি দিয়ে ডেইলি মেইল জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রী টিউলিপ তার আচরণের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন।

এ বিষয়ে টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, ‘আমি মনে করি হাউজ অব কমন্সের নিয়মগুলো অনেক পুরোনো। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী বা শারীরিক সমস্যা আছে- এমন ব্যক্তিদের জন্য নিয়মটি আধুনিক নয়। এর ফলে অনেক প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়তে হয়। তা ছাড়া এটি সাধারণ জ্ঞানের বিষয়।’