মেইন ম্যেনু

টিজারেই কাপড় খুললেন স্বস্তিকা! (ভিডিও)

‘যেন ঘষা কাঁচে ঘষে গেছে চোখ। তাই মন ভাল নেই…। সে গানে কথা যাই হোক না কেন! হলফ করে বলতে পারে ‘সাহেব বিবি গোলাম’ টিজার দেখার পর, আপনার মন এমনিতেই ভাল হয়ে যাবে। সেন্সরের জাল কেটে অবশেষে মুক্তি পেল ‘সাহেব বিবি গোলাম’ টিজার। যা এখন মাতাচ্ছে ইউটিউব।

ছবিতে এক গৃহবধূর ভূমিকায় দেখা যাবে স্বস্তিকাকে। তবে ঘরে শাড়ি সিঁদুরে লক্ষ্মী প্রতীমা হলেও বাইকে কিন্তু তিনি মেনকা। আর তাতেই বেঁধেছিল আপত্তি। ছবির চরিত্রের ‘মরাল ডিগ্রেডিং’ তো কখনও ‘রেপ সিন’। সেন্সরের নাগপাশে গত ছ’মাস ধরে বন্দি ছিল পরিচালক প্রতীপ ডি গুপ্তার ‘সাহেব বিবি গোলাম’।দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর দিল্লির ফিল্ম সার্টিফিকেশন অ্যাপলেট ট্রাইব্যুনালের (FCAT) অনুমোদনে এই আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে অঞ্জন দত্ত, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ও ঋত্বিক চক্রবর্তী অভিনীত ‘সাহেব বিবি গোলাম’।

‘উড়তা পাঞ্জাব’-এর পর এবার জয়ের মালা বাংলা ইন্ডাস্ট্রির গলায়। যদিও অনুরাগের মতো প্রতীপ তেমন কাউকে পাশে পাননি। তাঁর হয়ে গলাও ফাটানি কেউ। ছবির নির্মাতাদের কথায়, “ ২০১৫-এর ডিসেম্বরে ছবিটি সেন্সরের জন্য পাঠান হন। ঠিক ছিল বছরের শুরুতেই মুক্তি পাবে ‘সাহেব বিবি গোলাম’। তবে কখন ছবির মহিলা চরিত্র, কখন সংলাপ, কখন দৃশ্য বাধ সাধে ছবির মুক্তির পথে”। সেই সঙ্গে আরও বলেন, “আঞ্চলিক সেন্সর বোর্ডের কর্তাদের দাবি, ছবির কিছু দৃশ্য কাটছাঁট না করেই ছবিটি মুক্তি পেলে সমাজের মহিলাদের অবমাননা করা হবে। তাই সাবেব বিবি গোলামের একটি ধর্ষণের দৃশ্য বাদ দেওয়া হোক। পাশাপাশি নাম থেকে পুরোপুরি ছেঁটে দেওয়া হোক বিবি। পরিবর্তে শুধু সাহেব গোলাম নামে ছবিটি রিলিজ করা যেতে পারে”।

আর আঞ্চলিক সেন্সর বোর্ডের মতের সঙ্গে এক মত না হয়ে দিল্লির FCAT-এর দ্বারস্থ হন নির্মাতারা। ধর্ষণের দৃশ্য কমিয়ে এনে, কিছু আপত্তিকর কথোপকথন বিপ শব্দ দিয়ে চাপা দিয়ে FCAT ছাড়পত্র দেয় ‘সাহেব বিবি গোলাম’কে। ছবির নামে কাঁটছাটের দরকার নেই। একেই হয়তো বলে, “ সব ভাল যার-শেষ ভাল তার’। সুত্র-কলকাতা

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন