মেইন ম্যেনু

টেকনাফে বাড়ছে ইয়াবা ব্যবসা : প্রকাশ্যে বিচরণ করছে তালিকা ভূক্তরা

ফয়েজুল ইসলাম রানা, টেকনাফ : টেকনাফে ইদানিং আশংকাজনক হারে বেড়ে চলেছে ইয়াবা রমরমা ব্যবসা। তালিকাভূক্তরা প্রকাশ্যে বিচরণ করছে মাঠে। অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে আইন শৃঙ্খলা। ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে চলে যাচ্ছে যুব ও ছাত্র সমাজ। সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকা টেকনাফে ইদানিং আশংকা জনক হারে বাড়ছে ইয়াবা ব্যবসা। ফলে জল, স্থল ও আকাশ পথে ইয়াবার বড় বড় চালান চলে যাচ্ছে টেকনাফ থেকে দেশের অভ্যান্তরে। মাঝে মধ্যে এর কিছু অংশ চালান আটক হলেও চলে যায় সিংহভাগ। ফলে আটকের চেয়ে চালান বেশী প্রবেশ করায় দেশের প্রতিটি স্থানে ইয়াবায় সয়লাব হয়ে পড়েছে। টেকনাফের সচেতন মহল জানান, টেকনাফের ইয়াবা প্রতিরোধের বিষয়টি এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে একটি বাহিনী ইয়াবা অভিযানে নামলে অন্য বাহিনীরা নিরব থাকে। ফলে এই ব্যবসায়ীরা সুযোগ নেয়। কেন এমন হচ্ছে সচেতন মহলের প্রশ্ন। বর্তমানে টেকনাফে সীমান্ত এলাকা বিধায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সকল বাহিনী বিধ্যমান রয়েছে। যৌথভাবে মাঠে ঘাটে প্রকাশ্যে দিবালোকে অভিযান পরিচালনা করলে এই ছোট্ট উপজেলায় একটি ইয়াবা ব্যবসায়ীও রেখায় পেতনা। এদিকে টেকনাফ সহ দেশের অভ্যান্তরে ইয়াবা নিয়ে যে সমস্ত লোকজন আটক হয় এবং এদের সাথে ইয়াবার মালিকসহ মামলা হয়। মালিককে পলাতক আসামী দেখানো হয়। অথচ এই সমস্ত ইয়াবার মালিক গুলো পলাতক আসামী হয়েও প্রকাশ্যে ঘুরা-ফিরা করলেও আটক হয়না। অথচ দরিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী চুনোপুটি বহনকারী দিনের পর দিন মাসের পর মাস, বছরের পর বছর জেলে থাকলেও তাদের খোঁজ খবর কেহ রাখেনা। এছাড়া প্রতিবছর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ইয়ার সাথে সংশ্লিষ্টদের নতুন নতুন তালিকা প্রস্তুত করেন। এ সমস্ত তালিকার লোকজনদের নাম ঠিকানা মাঝে মধ্যে মিডিয়ার মধ্যে ছেড়ে দিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করে। কিন্তু কিছুদিন পর এসমন্ত তালিকাভূক্তরা প্রকাশ্যে ঘোরা-ফিরা করলেও কেহকে আটক করা হয়না। এর পর ঐ তালিকা হিমঘরে চলে যায়। এ তালিকা তখন বরফে জমাট বাধেঁ।