মেইন ম্যেনু

টেকনাফে শাক সবব্জির বাজারে আগুন

টেকনাফের ও পৌরসভার হাট বাজারে সবব্জির বাজারে আগুন। নিয়ন্ত্রণে কেহ নেই। বিপদে রয়েছে হতদরিদ্র লোকজন। শীত মৌসুম হচ্ছে সবব্জির ভরা মৌসুম। এ সময়ে বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে সবব্জির দাম অত্যান্ত নি গতিতে অবস্থান করে।

দেশের অন্যান্য স্থানে তাই হলেও টেকনাফ উপজেলা ও পৌরসভার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রতিটি সবজির দাম আকাশ ছোয়াঁ। হতদরিদ্র ও সাধারণ লোকজনদের নাগালের বাইরে অববস্থান নিচ্ছে।

টেকনাফ পৌর হাট বাজার পরিদর্শ করে দেখা যায়, মূলা প্রতি কেজি ৪০/৫০টাকা, বেগুন ৫০ হতে ৬০টাকা, টমেটো ১শ২০টাকা, কাচাঁ মরিচ ৭০/৮০টাকা, ফুলকপি ৬০টাকা, বাধাঁ কপি ৫০টাকা, ঢেঁরস ৬০টাকা, আলু ৩০টাকা, বরবটি ৬০টাকা, তিত করলা ৭০টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে।

এতে সমস্যায় পড়েছে পথে খেটে খাওয়া দিন মজুর। যাদের দৈনিক আয় ৩শ হতে ৫শ টাকা এরাই সবচেয়ে বিপদে। কারণ ১কেজি ছোট মাছের দাম ১শ হতে ১শ২০টাকা। অথচ এমাছের জন্য নিতে হচ্ছে ২শ হতে ২শ ৫০টাকার তরকারী। চাল, জ্বালানী কাঠ, তৈল, পেয়াজ রসুন সহ ইত্যাদি নিতে প্রয়োজন পড়ে ৩শ হতে ৪শ টাকা।

মাছ আর তরকারী কিনে সব টাকা ব্যয় হওয়ার কারনে আর চাল নিতে পারেনা। ফলে অর্ধ হারে অনাহারে দিন কাটাতে হচ্ছে। এ ছাড়া সবজির দোকান গুলোতে সমস্ত সবব্জি একই দরে বিক্রি হচ্ছে। এর এক মাত্র কারন বলে জানালেন স্থানীয়রা, সবব্জি বিক্রেতারা সিন্ডিকেট করে অল্প দামে সবজি ক্রয় করে বেশী দামে বিক্রি করছে।

ভ্রাম্যমান অভিযান না থাকার কারনে এ সম্যসার সৃষ্টি হচ্ছে বলে ক্রেতারা জানায়। এদিকে সবজির ভরা মৌসুমে অন্যান্য স্থানের চেয়ে টেকনাফে সবব্জির দাম কেন বেশী জানতে চাইলে কয়েকজন সব্বজি বিক্রেতা জানান, আমাদের গাড়ি ভাড়া, বাজারের হাসিল, সুইপারের দৈনিক টাকা ইত্যাদি বহন করতে গিয়ে বেশী দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এ ছাড়াও ইদানিং সেন্টমার্টিনে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক আগমণ করছে। এদের বেশীর ভাগই টেকনাফে থেকে যাচ্ছে। এদের জন্য প্রতিদিন নিয়ে যাচ্ছে টন টন সবব্জি। ফলে বেড়ে যাচ্ছে সবব্জির দাম।

এ সবব্জির দাম কত দিন পর্যন্ত চড়া থাকবে জানতে চাইলে সব্বজি বিক্রেতারা জানায়, পর্যটক মৌসুম অর্থ্যাৎ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। কিন্তু স্থানীয় জনগণ ইহা মানতে নারাজ। যেহেতেু ঐ সবব্জি বিক্রেতারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। এ ব্যাপারে মোবাইল কোটের অত্যন্ত প্রয়োজন রয়েছে।