মেইন ম্যেনু

টেস্টে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি কোহলির

ইতিমধ্যে ৪১টি টেস্ট খেলে ফেলেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অ্যান্টিগায় খেলছেন ৪২তম টেস্ট। দলকেও টেস্টে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এক বছরের বেশি সময়। ২০১১ সালে অভিষেকের পর ইতিমধ্যে সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন ১১টি।

কিন্তু বিরাট কোহলির কেন যেন একটা আক্ষেপ ছিল। অ্যান্টিগায় মাঠে নামার আগ পর্যন্ত তার যে সর্বোচ্চ রান ছিল মাত্র ১৬৯। ত্রিপল সেঞ্চুরি তো দুরে থাক, ডাবল সেঞ্চুরিরই দেখা পাচ্ছিলেন না তিনি। অথচ, বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান তিনি।

সেই আক্ষেপটা এবার ঘুচিয়ে দিলেন তিনি। পেয়ে গেলেন ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির দেখা। নেতৃত্বের বোঝা যে তার ওপর পড়েনি, এই ব্যাটিং দেখেই বোঝা যায়। অ্যান্টিগায় ১৪ রানের মাথায় মুরালি বিজয়, ৭৪ রানের মাথায় চেতেশ্বর পুজারাকে হারিয়ে যখন ভারত ধুঁকছিল, তখনই ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হলেন কোহলি।

শিখর ধাওয়ানকে নিয়ে গড়লেন ১০৫ রানের জুটি। এরপর রাহানেকে নিয়ে ৫৭ রানের এবং রবিচন্দ্র অশ্বিনকে নিয়ে গড়লেন ১৬৮ রানের বিশাল জুটি।

টেস্টের প্রথম দিনই ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে যান কোহলি। দ্বিতীয় দিন এসেই লাঞ্চের আগে পেয়ে গেলেন ডাবল সেঞ্চুরির দেখা। ২৮১ বলে খেলা বরাবর ২০০ রানের ইনিংসটি শেষ হয় ডাবল সেঞ্চুরি পূরণ করার এক বল পরই।

শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের অফসাইডের বলটিকে কভারের ওপর দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন কোহলি। কিন্তু সেটা লাগে ব্যাটের নীচের কিনারায় এবং ব্যাটে লেগে বল গিয়ে সোজা আঘাত করে স্ট্যাম্পে। ডাবল সেঞ্চুরি পূরণ করেই সাজঘরে ফিরলেন ভারত অধিনায়ক।

তার আগে অবশ্য দলকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। কোহলি যখন আউট হয়, তখন ভারতের রান ৪০৪। এ রিপোর্ট লেখার সময় তাদের রান ৫ উইকেট হারিয়ে ৪২৮। ৭৬ রান নিয়ে ব্যাট করছেন রবিচন্দ্র অশ্বিন এবং ১১ রান নিয়ে ঋদ্ধিমান সাহা।