মেইন ম্যেনু

ট্যাটুওয়ালা প্রধানমন্ত্রী

কানাডার সাধারণ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে জাস্টিন ট্রুডোর নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি।

কনজারভেটিভ পার্টির ৯ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ৪৩ বছরের ট্রুডো হচ্ছেন দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী।

তবে বিপুল বিজয় ছাপিয়ে আলোচনা হচ্ছে তরুণ এই নেতার বাম বাহুতে আঁকা বড় একটি ট্যাটু নিয়ে। ট্রুডোই শরীরে ট্যাটু আঁকানো বর্তমানে ক্ষমতায় থাকা একমাত্র বিশ্বনেতা কি না তা নিয়েও বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন রেখেছেন অনেকে।

২০১২ সালে কনজারভেটিভ দলের সিনেটর প্যাট্রিক ব্রাজুর সঙ্গে একটি প্রীতি বক্সিং ম্যাচ খেলার সময় ট্রুডোর বাহুতে আঁকা কাকের ট্যাটুটি প্রথম নজরে আসে।

কাক হায়দা আদিবাসী গোষ্ঠীর প্রতীক। ১৯৭৬ সালে জাস্টিনের বাবা পিয়েরে প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় হায়দা আদিবাসী গোষ্ঠী ট্রুডো পরিবারকে তাদের সম্মাননাসূচক সদস্য করে। এ জন্যই জাস্টিনের বাহুতে শোভা পাচ্ছে ট্যাটুটি।

তবে বর্তমানে ক্ষমতায় থাকা বিশ্বের আর কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের শরীরে ট্যাটু আছে কি না— তা বলা কঠিন। কারণ শরীরে ট্যাটু থাকলেও তারা হয়তো তা ঢেকে রাখেন।

যদিও অতীতে বেশ কয়েকজন বিশ্ব নেতার শরীরে ট্যাটু থাকার নজির পাওয়া যায়।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- রাশিয়ার জার দ্বিতীয় নিকোলাসের কথা। তার বাহুতে ছিল ড্রাগনের ট্যাটু। যুগোস্লাভিয়ার সম্রাট আলেকজান্ডারের বুকজুড়ে বড় একটি ঈগলের ট্যাটু আঁকা ছিল। ডেনমার্কের রাজা নবম ফ্রেডেরিকের শরীরজুড়ে ছিল সমুদ্র সংক্রান্ত বিভিন্ন ট্যাটু।

শরীরে ট্যাটু আঁকানোর ক্ষেত্রে পিছিয়ে ছিলেন না পশ্চিমা দেশগুলোর নেতারা। ব্রিটিশ রাজা পঞ্চম জর্জ ও সপ্তম এডওয়ার্ডের বাহুতে ছিল জেরুজালেম ক্রস। অন্যদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের হাতে ছিল নোঙ্গরের ট্যাটু।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের বুকে পারিবারিক পদক অঙ্কিত ছিল। ১১তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস পোল্ক শরীরে এঁকেছিলেন চীনা অক্ষর। এ্যান্ড্রু জ্যাকসনের উরুতে ছিল যুদ্ধকুঠারের ট্যাটু।