মেইন ম্যেনু

ট্রেনের কামরা থেকে ফ্যান ও ব্যাটারি চুরি

রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গাফিলতির কারণে পাবনার ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশন ইয়ার্ডে ট্রেনের কামরা থেকে ফ্যান ও ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় সদর দফতরের ডিআরএম অসীম কুমার তালুকদার মুঠোফোনে চুরির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

জিআরপি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা যাত্রীবাহী ট্রেনের একটি এসি কেবিন কোচ, দুইটি এসি চেয়ার কোচ এবং জার্মানি থেকে আমদানি করা একটি এসি কেবিন কোচ, একটি এসি চেয়ার কোচ ও পাওয়ার কার থেকে এসব বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি চুরি হয়েছে।

চুরি যাওয়া সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ১৯টি ফ্যান ও পাওয়ার কারের ১২ ভোল্টের ৪টি ব্যাটারি। ট্রেনের দরজা তালাবদ্ধ থাকায় চোর দুইটি বগির সংযোগস্থলের প্লেট উঠিয়ে কামরায় ঢুকে চুরি করেছে বলে ঈশ্বরদী রেল থানার প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

রেলওয়ের ঈশ্বরদীস্থ ইলেকট্রিক সাপ্লাই বিভাগ এবং স্টেশন সুপারিনটেন্ড চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

ঈশ্বরদী জংশন নিরাপত্তার জন্য রেলওয়ে থানা এবং রেলওয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) রয়েছে। রেল ইয়ার্ড রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা রেল নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা পাহারা দিয়ে থাকে। এই পাহারার মধ্যে কিভাবে চুরি সংঘঠিত হলো এনিয়ে রেলের বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে স্টেশন সুপার আব্দুল করিম জানান, ইয়ার্ডে কখন কোনো ট্রেন আসবে, ট্রেন ছেড়ে যাবে এবং ইয়ার্ডের কোথায় কোন বগি রাখা হবে এগুলো দেখার দায়িত্ব আমার না। আমার দায়িত্ব যাত্রী সেবা দেখা। নিরাপত্তার জন্য আলাদা দুইটি বিভাগ রয়েছে।

ঈশ্বরদী জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ঈশ্বরদীস্থ রেলওয়ের ইলেকট্রিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী এম কে নূরুল ইসলাম বাদী হয়ে রেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। তবে এই চুরি কবে সংঘঠিত হয়েছে এ বিষয়ে কেউই কিছু বলতে পারছে না।

পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ডেন্ট আশাফুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের আশেপাশে র্যাব, অতিরিক্ত গোয়েন্দা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।