মেইন ম্যেনু

ঠাকুরগাঁওয়ে ভুট্টা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ১ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন

সফিকুল ইসলাম শিল্পী : ঠাকুরগাঁওয়ে চলতি মৌসুমে ভুট্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। শুরুতে চাষীরা ভালো দাম পেলেও বর্তমানে ভুট্টা বিক্রি হচ্ছে একেবারেই কম দামে। বিক্রি হলেও টাকা পাচ্ছেন না তারা। অনেক চাষী ভুট্টা শুকিয়ে বাড়িতেই রেখে দিচ্ছেন।কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ঠাকুরগাঁওয়ে ভুট্টা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন। আর আবাদ হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন। প্রতি বিঘা জমিতে ৪০ মণ থেকে ৪৫ মণ হারে ভুট্টার ফলন হলেও বাজারে গত বছরের তুলনায় কম দামে ভুট্টা বিক্রি হচ্ছে।বর্তমানে প্রতি মণ ভুট্টা বিভিন্ন হাট বাজারে ৮০০ টাকা থেকে সাড়ে ৯০০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। প্রতি বিঘা জমিতে ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বোরো ধানের চেয়ে ভুট্টা চাষে ঝামেলা কম ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভুট্টার তেমন ক্ষতি হয় না বলেই অনেকেই বোরো ধানের আবাদ বাদ দিয়ে ভুট্টা চাষে বেশি ঝুঁকে পড়েছে।ঠাকুরগাঁওয়ের ভুট্টা চাষীরা জানান, আগাম জাতের ভুট্টার ফলন ভাল ও দাম পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক ক্ষেতে ফলন ভাল হয়নি। গতবারের তুলনায় অনেকটা কম দামে ভুট্টা বিক্রি হচ্ছে। ভুট্টা পাকার পরও বাজারে দাম না থাকায় জমিতেই রেখে দিয়েছেন অনেকে। পাকা ভুট্টা জমিতে বেশি দিন রাখা যায় না। কিন্তু বাধ্য হয়েই জমিতে রেখেছি।ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক আরশেদ আলী জানান, এ বছর জেলায় ১ লাখ ১৯ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ভুট্টার ফলন হয়েছে। এই এলাকাতে বেশ কিছু মুরগি র্ফাম গড়ে ওঠার কারণে ধান আবাদের চেয়ে ভুট্টা চাষ বেশি হচ্ছে।